সহসা সময়ের উদ্ভ্রান্ত উল্লাসে খেলে যায়
স্পন্দিত সমীর। বাতায়নে ঢেউ তোলে খোলা চুল,
যেন সময়ের তার দৃঢ় আলিঙ্গন।
নাগরিক দ্যোতনা নিথর থাক কিছু সময়।
এসো কাব্যের সুষমায় ছুঁয়ে যাই বিমূর্ততা ।
জীবনের চাওয়া পাওয়া , নিত্যকার যাপিত দিনলিপি সব
থমকে যাক মুহূর্তেই, সময়ের উদ্ভ্রান্তিতে।
ছুঁয়ে যাই তোমার উষ্ণ ঠোট, লাজুক চিবুক।
এলায়িত চুল স্নিগ্ধ সুবাস ছড়িয়ে দিক মৌন বাতায়নে।
দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসুক মহাকালের প্রেমের শব্দাবলী।
কবিতা প্রেম এঁকে যাক আজ তোমায় নিয়ে।
কৃষ্ণকলি, হয়তো ভানু ঠাকুর তোমায় সাজিয়েছে ঢের
তবু এই নিঃসাড় কবির আবেগের রঙ বিবর্ণ নয়।
পটল চেরা চোখের চাহনিতে ছুঁড়ে দাও প্রেমের অগ্নি,
আরেকবার ভস্ম হোক প্রেমের দেবতা, ছড়িয়ে যাক ভুবনময়।
সঙ্গ দেবে অবাধ্য সমীর, দুষ্ট ছোঁয়ায় ওড়না সরিয়ে দিয়ে,
অনাবৃত হোক বক্ষজুগল, ক্লান্ত কবির শীতল দৃষ্টি
উজ্জীবিত হোক উষ্ণতার শিরহনে।
নিমিলিত নয়নের তীক্ষ্ণতায় অজড়  হও, কৃষ্ণকলি।