কথার মায়াবী ফাঁদে কবি কবি খেলা
কিছু সুখ কিছু মুখ করে অবহেলা
কেটে গেল জীবনের বেশ কিছু বেলা
ঘনায়ে আসিছে ওই রাত্র।


দিবানিশি চষে চষে আগাছার ক্ষেত্র
সয়ে সয়ে এই পিঠে অকরুণ বেত্র
হতাশার নোনা জলে ঝরে আজ নেত্র
শূন্য যে ফসলের পাত্র।


সোনা ভেবে মুঠি মুঠি যত কিছু তুলি
ধুলি তার গায়ে মেখে এ জগত ভুলি
যেই আবার পাত্রটা সমুখেতে খুলি
দেখি তাতে চিটেদানা মাত্র।


আলেয়ার আলো শুধু ডেকে ডেকে চলে
সমুখেই সরোবর বার বার বলে
শেষে দেখি পড়ে আছি এই ডুবাজলে
কুহকের নির্বোধ ছাত্র।


সময়ের জল মেশে কালের সমুদ্রে
ঢেউ তার কুর্নিশ করে শুধু রুদ্রে
দুই তীরে ঠেলে ফেলে খড়-কুটো-ক্ষুদ্রে
পবিত্র রাখে তার গাত্র।