দুই হাত পেতে আছি
অমৃত্ দিলে না ?
কল্লোলিনী এই মাৎসর্য ঘিরে
কতটুক বা জীবন
তাতে সন্তাপের স্বেদ বড় তিক্ত
বিষাদসিন্ধুর দ্বারে মুখ থুবরে
আছে বৈকুন্ঠের প্রসাদ,প্রাসাদে
কালের দংশন
ওষ্ঠে ঝুলছে ভ্রমান্ধ সংসর্গ
চরিতার্থ হবে তেমন
মোক্ষ কই ?


এই স্থান, কাল,পাত্রে
দেখা মেলে না
মোক্ষ নামক সেই পরমাত্মার
কেবল তিন 'ছটাক দূরত্ব
আর ইহ জুড়ে
অস্তিত্বের কৈবল্য ছিটিয়ে রাখা
একহাতে মহোৎসবের ঝুলি
অপরহাতে বৈষয়িক ক্ষোভ
ঘুরে,ফিরে যায়
মাৎসর্য্য বেলা।


দু'ছটাক তবু উন্মুখ থাকে
ধূসর সময়টা কোনভাবে
যদি নিষিক্ত হয়
গন্ডীটাকে মুড়ে ফেলে যদি
চেলে দেওয়া যায় মোক্ষের কবলে
হয়তো খুলে যাবে
পারিজাত প্রবাল।


এই নির্ঘুম রাত,এই ক্লেদ
বৈকল্য সময়ে এর
সবটাই পরমার্থিক স্বেদবর্জিত
স্রোতস্বিনী সময়ের
প্রগূঢ় সত্ত্বা কোথায়?
যাপনের ঐ কায়িক অবস্থাণ দাও
নিমগ্ন হই।
অন্তত ঢলে যাবার আগে
মগ্নতা যদি জাগে লিখে দেব
অমরত্বের নাম


এই অমরাবতীর ক্ষণে
বড়ো বিমর্ষ সময়
অজানা ধূ ধূ প্রাক্কালে
কেবল কন্টকাকীর্ণ সাহারা
জতুগৃহে বিদ্ধংসী আয়োজন
তোমার পরমাত্মা খোল
অবগাহন করে
বৈকুন্ঠের
কানে ঢালি প্রণয় মন্ত্র
উজ্জীবিত হোক তন্ত্রীর
জুড়ে থাকা মাহেন্দ্র ক্ষণ।


অতঃপর অমৃত্ পরমাত্মায়
জগৎ আর জাগতিক
পরিব্যপ্ত মদির পেয়ালে রাখা থাক
প্রেমাত্মার দৃপ্ত চুম্বন
পরমার্থ উঠে আসা দলে দলে
এই'তো মাৎসর্য্য , এই খানেই মোক্ষ ফলে
অতীব সমন্বয়ে


তাকে শুধু ধরে হাতে রাখার তারণা মাত্র।