কবি তখন নির্ভেজাল একটি
কুঁড়ির দিকে
তাকিয়েছিলেন,
আশেপাশে হঠাৎই গজালো
একদল কুঁড়ি,
কবির মাথা নুঁয়ে এল,
এক ভোরে দেখলেন
সহস্র মৌমাছি ভিড়ে
ফুটন্ত ফুলের বাহার,
কবি গন্ধ নিলেন,মুগ্ধ হলেন,
ছুঁতে পারলেন না,
চতুস্পার্শে আগল ছিল।
ভাবলেন একবারের জন্যেও
ওকে স্পর্শ করবেন,
প্রত্যেক যাতায়াতকে তিনি
অভ্যাস করে নিলেন,
একসময় গাছটি ছেয়ে গেল
রঙীণ ফুলে
স্থির হয়ে কবি দেখেন আর ভাবেন,
আহা যদি আমি ওকে ছুঁতে পারতাম,
বৈশাখী ঝড়ের পর,শ্রাবণের এক
নিষিদ্ধ ধারায় ধুয়ে মুছে গেল
ওর যৌবন,
চল্লিশ বসন্ত পার করে ও তখন
বিসদৃশ ঝোঁপঝাড়
শুষ্ক পাতায় পা' পরে কে যেন
কঁকিয়ে উঠল,
কবি চশমা চোখে নীচু হয়ে
পড়ে যাওয়া লাঠি
হাতড়াতে থাকলেন