"দিদি,ওড়নাটা দেখে নিন--চাকায় জড়িয়ে গেছে"। ভ্যানে চড়লে  প্রায়ই কথাটা শোনা যায়,সন্ত্রস্ত হয়ে ততক্ষনাৎ টেনে-টুনে বসি।
বাজার,দোকান,কোনখানে হাত মোবাইল বা ছাতা ফেলে গেলে-"দিদি,আপানার ছাতা,আপনার মোবাইল"। চেঞ্জ নিতে ভুল হলে," দিদি আপনি চেঞ্জটা নেননি"--এমনই কত মানবিক মুখের কথা আমার মনে হয়,পথে-ঘাটে,বাসে-ট্রেনে,দোকান-বাজারে সর্বত্র। তবুও চতুর্দিকে এত হানাহানি,মারামারি,মনুষ্যত্বহীন কার্যকলাপ প্রায় রোজই কাগজ খুললেই দেখতে পাই। মানুষ এত ধৈর্য্যহীন হয়ে পরে কেন বুঝিনা,যদিও জানি ভালো খারাপ সর্বত্র আছে,আছে কালো-সাদা কিন্তু তার মধ্য মানবিক মুখওতো আছে। আবার এমনও হয়েছে ট্রেনে ভ্রমনকালে লেডিস কামড়ায় উঠেছি গেটের কাছে দাঁড়িয়েছিলাম সমুখে ষ্টেশন তাই,আচমকাই পেছন থেকে এক মহিলা আমায় ঠেলা মেরে ফেলে দিল,ট্রেনটি তখন সবেমাত্র ষ্টশন থেকে স্টার্ট নিয়েছে,ভাগ্যি আমি ষ্টেশনেই পড়েছি,তাই সেবারের মত বেচে গেছি।আবার জেন্টস কামড়ায় একশ্রেনীর পুরুষ নির্বিঘ্নে জায়গা করে দিয়েছেন। এমন কতপ্রকার মুখ যে আমরা রোজ দেখি তার ইয়ত্তা নেই , তার মধ্যে মানবিক মুখগুলোর কথা রয়ে যায় চিরকাল মনে। আজকের কবিতায় এমনই এক মানবিক মুখের কথা বলেছি। এই মুখ আমাদের চির কাংকিত,চির আপনার--আপনার??