মনে পড়ে সেই ছোট্ট আমার বেলায়,
একাকীত্বের আলোর মিশেছি খেলায়।।
পাঠশালা হেঁটে গেছি ঝড়ের দাখিলে,
এমনো বাদল দিনে বৃষ্টির স্মাইলে।
ভিজিয়ে নিতো আমার পড়া বইখানা,
কচু,কলাপাতা ছিড়ে দৌড়ে হতো আনা।
আমার শৈশব শিশু কৈশোরে বেলায়।


মেঘভুত গর্জ লব্ধ পড়ছি পিছলে!!
সর্বনাশ হতো খুব বইটি ভিজিলে।
এমন কতদিন গেছে খাইছি আছাড়,
স্যারের মার ভয়ের  ছিলনা বাঁচার।।
যদি উনি মারিতেনা আমার শারিলে,
কথা দিয়ে জ্ঞান দিতো অক্কেল জুড়িলে।


আহা,
এমনো দিন গিয়েছে আমার বেলায়
মাঠ ছিলে ভরপুর গোল্লার খেলায়।।
খেলিতে যাইলে রহি চুপচাপ বসি
সবার খেলা দেখিছি নিরোলষ কষি।


মাঝে যদি কেউ মোর ডাকলি আমায়
খেলিতাম আমি তার দল সমতায়।।
ওরা সব শত্রু তামি করিতোই খালি
আমি নাকি খেলি যার গোল খায় আলি।


তবু,
যদি আমি খুব যারি থেকেছি ভদ্রতা
কেউ কেউ সম্মানের দিতোই আদ্রর্তা।


চুপচাপ থাকতাম একেলা বসিয়া,
কখনো দেখেছি ভাঙে আকাশ ধসিয়া।
ফুরফুর বৃষ্টি ঝরা আসিলেই ধেয়ে,
মাঠ ঘাট পথ দৌড়ে আসে ছেয়ে ছেয়ে।