হঠাত একদা অচিন কন্যে দিয়ে ছিলাম হায়,
ফেজবুক নামক ক্ষুদে বার্তার তার ইনবক্স টায়।
নামটি চেনা সহপাঠী একটা বন্ধু ভাবি,
কথা হতো টুকিটাকি মুখ দেখা নাই ছবি।
কোথায় বাসা কোথায় থাকে নাহি বেশ তার জানা,
আনুমানিক কল্পনারই দিন এগুয়ে মানা।


বছর খানিক কেটে গেছে মুখ দেখা নাই মিলে,
সব দিছে যার কথার জুড়ি বাদ নাই যার তিলে।
সব দেখালো মুখের ছবি নাই বক্স বা দিছে,
অন্ধ চোখের অটল বিশ্বাস আর সব তা মিছে।


সকাল হলে দিতো আমার বলতো কেমন হায়,
বিকেলে হলে বলতো কেমন দিনটি কেমন যায়।
খাবার বেলা বলে যেতো মুখর মধুর রসে,
দিনের উপর দিন পারাতো অন লাইনেতে বসে।


হঠাত্ একদা জিজ্ঞাস করি আছে বন্ধু আর,
প্রমিশ সত্যি মুখের কথায় বলছে নাহি যার।
একদিন তাকে জানতে পারি অতি কাছের কেহু,
ছবি নাই তো ভুল ঠিকানায় প্রপাইলে সেও।
অতি দুরের মানুষ গুলো অতি কাছে হয়,
অতি কাছের মানুষ গুলো অতি দুরে রয়।


হয়তো তাঁকে অনেক জানি কোথায় তারই বাসা,
না চিনে তাই কতো কিছু করে ফেলি আশা।
একদিন তাঁকে জানতে পারি আছে পেছন টান,
সেই থেকে আর কথা হয়না গাইনা আরই গান।
মিছা কথায় এসব যেনো আজবের পাগলামি,
মজা লওয়া দারুণ পট্য নতুন বাহাত রামি।


তারপর থেকে তাঁরই সাথে হলো নাকি ব্রেক,
নিঠুর এই যুগ ভুলে যাওয়া দুই মিনিটের নীড়েক।
আবার নতুন বার্তা দিতাম হতো কিছু কথা,
আগের কথা মনে রেখে থাকি নিরববতা।


একদিন যারই অনার্স যোগ দিছি পরীক্ষা,
সামনে বসা ছাত্রীর নামটি একই সমীক্ষা।
তাঁকে একদা কয়েক দিনেই জানতে পারি,
সেতো আমার সহপাঠী জানিনা যার তারি।


লেখ্য পাঠে পরীক্ষে হল হতো কিছু কথা,
টুকিটাকি দরকারেতে যখন যথা তথা।
সময় করে দেখিনি তার কতো সুন্দর মুখ,
কথা গুলো কানে আসার লাগতো খুবই খুব।
সারাদিন যার যেই মেয়েটির হুয়বা কিছু কথা,
সেই মেয়েটির নামের সাথে স্বপ্ন গাঁথে তথা।


মনে মনে ভাবি আমি ওই মেয়েটি সেয়ে,
অন্ধ চোখের ভালো লাগায় ভুল করিনি খেয়ে।
হঠাত্ একদা জানতে পারি সে মেয়েটি নাহ।
অভিমানির ফাটল ধরে আরে আরে বাহ।


হয়তো যাকে খুঁজে গেছি তাকে পাইছি ফির,
দেখি তাহার অমা খালি অনেক লোকই ভীর।
অথচ জানি সেই মেয়েটির নামটি এমন নয়,
তাঁতেও কি নামের প্রেমে মিছা কিছুই নয়।
ভুল নামটি শুনছি আমি তাকে রাখি মনে,
হারিয়ে গেছে জানিনা কই রাখি মনের কোনে।


অবশেষে নামের পিছন পাইছি কন্যা এক,
মন যে আমার ঘরে রয়না তাহার চড়ন দেখ।
সেই দিনেরই পরীক্ষা ওই মেয়েটির কথা,
আমার হৃদয় এখনো এক একটা নিরবতা।


উৎসঃ শারমিন ।