সোনালী দিনের সোনালি মানুষ কই,
এখনো দেখিতে পিছনে ফিরিয়া রই।
সোনালি দিনটি  সোনার মোহরে মত,
যেখানে রহিত এখুনিের মত ক্ষত।


সোনার হরফে সোনালি বারন ছুই
             সোনালি দিনের সোনালী লকেট কই।।
                 সোনা ভারা মাঠ মননের আনচান,
                   মাঠ ফুল কুড়ি  ফসলে ঐক্যতান।


কতো ভাল ছিলো শৈশবির দিনকাল
                    যত পথ চলি পাল্টেই হালচাল।
                 যতোবার দেখি  ফিরিয়া পিছন চাই,
                   ততবার আমি ফিরিয়া চমকে  যাই।
সোনালি দিনের সোনালী মানুষ কই
                  হারানো সময় কোথায় খুঁজিয়া পাই।
                সেই সোনালির মুখর মাখার দিন,
                  যেখানে করিয়া গাঁথিছে পিছন ঋন।
কানে যতো বাজে আধুনিক ভরা গান,
খুঁজেও পাইনা হৃদয়ের টানা মান।
যতোবার ভাবি ততবার খুঁজি আমি,
ফেলে আসা দিন  চরন দিয়েছি চুমি।


আমার যেনই অতীত লাগার ভালো,
যেথা থাকত না এমনই অগোছালো।


আমি ফিরে যাই  আসন স্নিগ্ধ স্লান
               যথায় রয়েছে কন্ঠ মিতালি সে গান।


যতোবার ভাবি মন চায় চলি পায়
আমার ছোট্ট  বায় করি গড়া গড়ি,
যেখানে আমার মা বাবা সকলি পাই
মন চায় শুধু নব তার শুরু করি।


ক্ষীয়মাণ চলি মাঠঘাট অলি গলি,
দেখি এলোমেলো সেই কালটি পালালো।
সোনালি দিনের  সোনালী মানুষ কই
চায়ের কাপেই চুম্বক দিতে ভই।


গড়াত সন্ধ্যা নামিত আঁধার ঘনা
ভুলে যেত সবে বাসায় ফিরার মনা।


সোনালি দিনের সোনালী সময় কই,
যেখানে মানুষ বিশ্বাস মিলতো ঠাঁই ।
চিঠির ভাষায় বলা হতো কিছু কথা
কত প্রেমময় কত হতো নিরবতা।


কত নামাজীর কপাল পরত দাগ,
কতো ধার্মিকে  গ্রন্থে অনুরাগ।


সোনালি দিনের সোনালী সমাজ কই
মিলেমিশি থাকা নাহি থাকা হই চই।
যেখানে মানুষ থাকিত সবাই ভালো,
অভাবের দিন গুছিয়ে রাখত আলো।


মুসা কালিমুল্লাহ
মুসা কালিমুল্লাহ