এক মানবি আমাকে করছিল পর,
এই বাংলা আমার মা, মমতার কোলে,
আমাকেই বুকে টেনে, নিয়েছিল তার
তাহার স্নেহর ডাক বারবার দিল ।
সবুজ শ্যামল ছায়া পায় জুড়ে দিল।
এক অস্বস্তি যখন বেড়া জুড়ে ছিল।


জন্ম লগনে দাঁড়িয়ে স্নেহর শুধাই।
আমাকে বেসেছে ভাল সন্তানের ন্যায় ।
এই প্রকৃতির ভাষা, মধু নীরভাষা
এর চেয়ে আর কি বা, চাই কোথাকার
জন্ম সুধা যার মোর ভালবেসে তিনি
এই আমার পরম মমতাময়ী মা।
তাহার আঁচলে ডাকি নক্ষত্রের নিচে।


হিমবায়ু এসে মোর দেহ জুড়ে দেয়।
গ্রীষ্মের দুপুরে আমি বট বৃক্ষ নিচে
একতো নিয়েছিলেম মৃদু স্নিগ্ধ ফুর।
আমাকে কেবা করেছে ছলনার পর
এই বাংলার বুকই আত্মার আত্নীয়।


এই নদী মাঠ বিল আমাকে ভাসিছে
অনেক ভালো অনেক কি ভালবাসায়।
আমি তার প্রেম সৃষ্টি প্রেম অবলীলা
আমি তাহার সন্তান আলোয় আপন।
এই বুক ছেড়ে যার খুঁজি অন্য পায় ।
আপনি বলে ডেকেছি এই প্রেম ভুলে ।
এই তরূলতা খুব বেসে ছিল বেসে ।
যথা যেন নির্ভেজাল প্রেম সৃষ্টি পথ।


ওহ মোর জন্মস্থান তুমি দিছো কাম,
চড়ন পদাঙ্ক হাঁটি শুঁকে মোর ঘাম।
তোর মুখ আকর্ষণ প্রীতি জোড় টান,
অনু প্রভাবিত করো পুনঃ মোর তনু
আমি ভালোবাসি তোকে প্রচণ্ড ধরন।
তোর বাতাসের গন্ধ মোর প্রাণ কাড়ে
মোর সঙ্গিনীর হাত মেহেদি সাজাই।
কর নাই অবহেলা মোর স্নেহ তায়।
আমি খুঁজি তোর তৈরি পেয়ার নন্দিনী
ফুলের সুভাষ তার মাখা ঘ্রাণ স্রোত।
ওমোর মমতা মায়ী মা তোমার চায়।
তোর বুক ডাকা স্নেহ আমাকে ভরায়,


/১৪ মাত্রায়/