তোমারে যে বানিয়েছে নিখুঁত হস্তের
অ মলিন বিন্দু বিন্দু তীক্ষ্ণ চক্ষু উল্কে
ভুল করেনি একটু সৌন্দর্য মাখিতে।
মুক্তা মনি হীরা গুলি অচিন্ত্যর শুল্কে।
সব যেনে ঢেলে দিল তার মুখ পানে
কি মায়া আঁকিয়ে ছবি জুড়িয়াছে মুখ,
একবার চাইলে ঐ শতাব্দীকে ভুলে
লুকিয়াছে লেনাদেনা অচিন্ত্যর সুখ।
রজনী গ্রহে চন্দ্রিমা পৃষ্ঠা নেমে নিচে
বর্তিকা আলোক জ্বলে ধরনী কলসে
তাঁরা গুলো জ্বলে চেয়ে নিজ মিটিমিটি
ধুমকেতু উল্কাধ্বনি বক্র পৃষ্ঠা খসে।
সব যেনো মিছা যার তোমার চাহনি
গভীর সমুদ্রে নিচে মনি মুক্তা ভুলে
তোমারে যে বানিয়াছে চেয়ে কুলে কুলে
মৃত্তিকার সবখাটুকু ফোঁটা ফুল ফুলে।
তাহার মুখের ঢলে ঢালিয়াছে মুখে
পৃথিবীর মনহর ঢালিয়াছে তনু
সবকিছু হারমানে বক্র পৃষ্ঠা সুখে।
সবটুকু সুখমালা গাঁথিয়াছে অনু।
মিছেময় দেহক্ষয় চারিপাশ ধার
রূপের দরিয়া চক্র সমুদ্র সাঁতার ।
তোমারে যে বানিয়াছে সুক্ষ চিন্তা মগ্নে
তাহারে দিই অসংখ্য বার ধন্যবাদ।


------