দুই অক্ষর একটি নামের ধরেছি কী? বাজিমাত,
আঁখি খুলি নাই দেখিতে চরম অবতীর্ণ বরাত।
আমার থাকবে এই জনমের তাহার চরন দুলি,
দেখিবনা আর ফুল পাখি মেলা নয়নাভিরাম খুলি।
ভুল বুঝা তাই কতটা কঠিন কতটা কষ্ট লাগে,
সেইকথা মোর পরান বাঁধিতে শিউড়ে কাঁদিয়া লোটে।


উজালা নয়নে উজান ভাটির পড়িলে আমার ভাটা,
অবহেলা খানি আমারে মারিল কপালে ঘটিল ছাটা।
থামিল পথের শক্ত দুস্থ নাহি হিয়ে চলা হাঁটা,
ভুলিতে গিয়াছে ভুলি ভুলি করে হলাম শেষই কাঁটা।
কোন এক ঈদে খুব সদা সিদে ইশারায় দিল ডাক,
যাব যাব করে যাই নি কাছেই যাই হলো কভু যাক।
চাকচিক্য র থাকিনি রাখিনি যতো তার ওই মুখ,
সময় হইলে ডাকিব আপনে নিরবতা দিছি হুক।


কতো অভিমান ঘারেই চাপিলে হয় যায় লোক পর,
কতোটুকু ঘাত ঝোপ দিয়ে ধরে ভেঙে পরে গড়া ঘর।
নাম রাখি তার কুসুম কলির হাসি ভরা মুখ খানি,
না দেখা জগতে তার সুন্দর নিবেদন করি বানী।


এখনো দেখিলে মনে হয় আছি খুব তার কাছাকাছি,
পাশাপাশি থাকি অনেক আগলে মনছুঁই তার মিছামিছি।
দুই অক্ষর নাম তার জানি বলিতে নাহিতে ব্যাকা,
এই কথা গুলি আমার আমাকে ঠকিয়ে গিয়েছে একা।
ঠাঁই একদিন করে গেছি যার মিছি এক অভিনয়
আমাকে ভুলেই গিয়েছে লাগছে চপল ছলনাময়।
ভুলে গেছি কাল সেই দিন সেই মুখপানে চেয়ে থাকা,


দুই অক্ষর নাম তার নাহি অবিকল মন মাখা।
বলিনি কখনো কভু প্রথম তুমি মোর মুখ দেখা,
যাই হোক কথা পিছনে ফেলেই শুধু তার নাম রাখা।
চার অক্ষর নাম যেনো হলো আমার হৃদয় রেখা,
নতুনের খুঁজে পুরাতন ভুলা নাই ভুল পথ দেখা।


অক্ষর দুই, চার অক্ষর ভালবাসা বেড়ে লাভ,
অক্ষর দুই ব্যবধান আজ ভরপুর মনো ছাপ।