আমাকে আমার দেখব আজকে কী আছে চেনার বাঁকে?
যেথায় আমার স্বপ্ন শিশুরা ভেজায় ঘুমিয়া থাকে।
চমকে যাবনা দাঁড়াব থমকে এমন কিছুনা ভাবি,
আজকে খেয়ালি দেখব সতর জীবনের কাঠি চাবি।।


কাঁদব হাসব চড়ব নিজের জীবন ডিঙির নায়ে,
দুহাত বলের কব্জির জোরে, চলবে নদের বায়ে।
অথই নদীত দমকা বাতাস হয়তো উঠবে ঝর,
সেই বাতাসের ছুটবে তরিটি, বুক কাঁপে থর থর।


দিনের দুপুর নামবে রাত্রি ঘনাক মেঘের কালে,
অদুর বনের চূরমার হবে, গাছ পাতা যত ডালে।


আমার ডিঙির পথটি চলবে অদুর গায়ের পাড়ি,,
ধীরে ধীরে পথ, চলে ঠিকানায়, পৌঁছব নাগল বাড়ি।
জীবন নদীর মাঝ স্রোতের তুমুল উঠবে ঝর,
যেমনি ঝরের কেড়ে নেবে যার বুকের বালুর চর।


আজকে আমার চেনব বাহির চেনাব ভেতর যশ,
জীবন খেয়ার পরত পরত জীবন নদের তশ।।
কখনো হাসিতে কখনো কাঁদিয়ে নিজকে করছে তাড়া,
কেউবা আবার পিছল খেয়েছ জীবন ভুলছে সাড়া।


উজান বাটির নদীর বুকের হতাশ হলেম ভাই,
এত করে ডাকা ভাইটির আর খুঁজিয়ে পেলাম নাই।
পালের তরির কালের দেবার চালিয়ে থামিয়ে টানি,
জীবন নদীর সুখের দ্বীপটি অচিন ঘরের ছানি।


হিংসুটে লোকের কানাকানি করে ডুববো জীবন ঢালা,
ভয় নয় ডর উচ্ছল দমে ছিরিয়া নিশানা চালা।
দক্ষিণ আকাশে ধরছে কালোর জমছে মেঘেরা বুঝি,
সন্ধ্যা নামল আকাশ কাঁপল বাতির স্বল্প,পুঁজি।।


জীবন তরির নয়দুর বেশি  সকালের সমদুর,,
এই পাড়ি যার ভীষণ কঠিন যাযাবর পরপর।
সহজ নচৎ বেহাল নচৎ জীবন চকের খরি,
আসবে সবার মিঠা তিতা এই বাচলে জীবন তরি।


হয়তো এমন হতে পারে নাতো কঠিন বিষম যারি,
আকাশ টাকাশ আধুনিক ছোয়া পৌঁছে তবে যেতে পারি।
দোষে কিছু নয় ভুলে কিছু নয় কঠোর হাতের বালা,
সত্য ন্যয়ের বাজি রেখে জয় প্রদীপ মাশাল জ্বালা।
সহজ পথেকে পাইতে যে সেথা কঠিন পথকে মাপি,
সহজ না কিছু  চাইতে পাইতে  জীবন মাপিক ব্যপি।


অতি স্বস্তার নাগাল চললে ভিক্ষুক মনো বীর,
যার কিছু নাহি কবে হলো সেতো জনকাতারে অধীর।।
দেখব আয়না মুখের বায়না ছেড়ে দেব সব চাল,
আজকে ধরব জীবন তরির মাঝির ধরবো পাল।।


যেতে হবে দুর অনেক সুদুর জিতিয়ে আনব কুলে,
সেখান একটি বাগান গড়ব পাখিরা সুরবে ফুলে।
জীবন যুদ্ধ জয় করে যার, খুলব একটি দোর,
দেহের সাথের মনের মিলন মিটাবে তুচ্ছ ঘোর।


কারো দেখে দুক ফুলে নাক মুখ,কেউ হেসে যায় সুখে,
তিল খানি চোখ ঝরছে কি জল অপর বাঁধন বুকে।
জীবনের লাগি জীবন শুনেছি সাধনা করেছে বিধে,
আগের জীবন মানুষ গুলোযে ছিল তারা সদা সিদে।


আশার আলোক  বাসা বাঁধে যার যুক্ত পোক্তকোল,
জীবন তরির বিধান চড়োনে প্রাক্তন শোরগোল।
জীবন তরির থাকেন না জ্ঞাতি পথকে চলার সাথী,
খমাকা তামাশা চলে হায় হায় পথচলা নাই বাতি।


বিপদ আসলে কে মাঝি মাল্লা দাঁড়কে টেনেছ গুন,
জীবন বাঁচাতে পারলে নিজকে বাপকা বেটায় শোন।
এইযে নদীর হায়রে কুলের কালের পালার নিশান,
খুঁজছে একটি গড়াছে ভাঙাছে চলে মিতব্যয়ী গান।
চলতে দেখতে বাইতে চাইতে -----  দিন,
অবাধ চলনে মাঝির সাজির খেয়াল হয়েছে ক্ষীণ।


জীবন নদীর কুল ঠিকানার নাইরে সুবোধ তীর,
জীবনে নদীর জোয়ার ভাটার খেলায় নাইরে ক্ষীর।
জনম ভরিয়ে হেসে গেছে যেন কজন কাঁদেনি কেবা,
নিজের চাইতে তাহার দিয়েছ অমিয় ভরিয়ে সেবা।


একদিন করে চোখের গোচর নজরদার মুখে ছাপ,
মনের গোছানো অচিন মানুষ হয় এক অনু তাপ।
এমন কত ভেবে  চলতে ফিরতে বৈঠার ধরছি হাত,
এইতো নদীর খেয়াল পাড়ির চলেছে তরির পাত।


রাত গেল তব  দিনের আলোক উঠছে বদ্ধ ছিরে,
মানুষ মাঝে শুনেছি আঁধার ছিরে কুলে আসে ঘিরে।
জীবন নদীর মাঝখানে যার পাইনি তাহার কুল,
হাজার রকম ভুলের মাঝেতে চলেছে জীবন কুল।


জীবনের কাঠি সব পরি মাটি শর্ত কঠিন তরো,
জীবন নামের খেলার পেরিয়ে দুঃখো জড়োসড়ো।
আমাদের কাল আমাদের তার দিনরাত ভর নিড়,
হাজার অতিত ইতিহাস কান করে লোকে বিড় বিড়।
কউর সতত চলে সর্বদ সহজের অতি দিন,
কারবা জীবন ভাসছিল দুঃখে বুক ছিরে চিন চিন।