আমার গায়ে সবুজ নিড়ে গাছগাছালির মাথায়,
হাজার রঙে ফুল ফোটেছে মুকুল কুড়ির পাতায়।
ডালে ডালে পাখি ডাকে ভোমরা ডাকলে শুনি,
ফাগুন মাসের ঝলকানিতে কৃষ্ণচূড়া বুনি।
রাতের বেলায় চাঁদের খেলা জোসনা ঘিরে ছাঁদ,
চাঁদ তারাদের মুখামুখি দেখছি সারা রাত।।
কে দেখেছে কোথায় থাকে লুকিয়ে কে হাসে,
অচিন পুরের কন্যা এসে ভেজায় প্রাণে ভাসে।
ঢঙে বাহার সঙে ছবির এত ঢঙির ঢঙ,
এই ঢঙেতে চুরি করল আকাশ তলির রং।
বাহার রঙের কিসে  যাহা যত দেখছি রঙিন,
সখের তোলা পুরা আশি হাতে বোনা সৌখিন।
এতে কিসের মাঝে পরে  কে দিয়েছে উঁকি,
ভালোবাসায় ঝরাঝরি চলছে সবার সুখি।
কেদিল তার ভাবনা ছিরে হৃদয় ছোঁয়া বন্যা,
অভিমানে নাম রেখেছে অচিন পুরের কন্যা।
বৃষ্টির জলে ভেসে গেছে ঝরানো গুল মাহার,
সেই জলেতে ধুয়ে নিছে নুপুর পায়ের বাহার।
কেড়ে নিছে সবার থেকে উজার করে মন,
অচিন পুরের কন্যার লাগি জগত বিন্দা বন।
কোথায় থেকে আসল পরে তেমন রাজ্য কনে,
ছুটছে পরে অবাক নয়ন রাখছে সবই মনে;




আমরা যাহা কিছু তবে চাই
যদি সেটি তা,, আকাশ হয়,,
নাগাল অনেক বিশালতায় দুর।
সেটি যদি অতি নিকট তরহয়!!
তাহলে কী আকাশ হবে!!
সাগরের বুক গভীরতা সদময়।
মুক্ত কুঁড়তে ডুব দিয়েছে কে,
তাহলে কী মুক্তা ঝিনুক
আনেনি কেহো যে।