কবিতা নিয়ে কথা, আমরা জানি বাংলা ভাষার চর্যাপদ আদি পদ বা কাব্যের মধ্যে সাড়ে ৪৬ টি পাওয়া গেছে তখন কার সময় ছন্দে কবিতা লেখা হতো জেনেছি মাত্রাবৃত্ত এবং অক্ষরবৃত্ত  ছন্দে লেখা হতে
তাই ছন্দ একটি পুরাতন ধারা,গানের সংকলন পদ টিকা গুলো ছিলো। কবিতা লেখার কবিতার বৈশিষ্ট্য বা গুণ থাকতে কয়েকটি উদাহরণ
১। কবিতার অর্থ থাকতে হবে,
২। কবিতার ছন্দ থাকতে ,
৩। কবিতার ভাষা সর্ব সাধারণে
পাঠ উপযোগী হতে হবে,
৪। কবিতার নিজস্ব ধারার গুণ থাকতে হবে।


*আমরা সকলে জানি,ছন্দ তিন প্রকার ,স্বরবৃত্ত,মাত্রাবৃত্ত, অক্ষরবৃত্ত।


কবিতা অনেক ধরনের হয়, উল্লেখযোগ্য প্রেমের কবিতা, দেশের কবিতা, মানবতার কবিতা,
ছড়া কবিতা, আরও অনেক ইত্যাদি ইত্যাদি।


তবে মানুষ চাইলে একটি আবেগ মিশিয়ে কিছু লেখে
কবিতা বলতে পারি আবার পারি না;
কবি আনিসুল হক বলেছেন কবিতা লেখে খাই য়ের সাথে দাই মিলালে কবিতা হয়না, পড়েই বুঝতে হবে
কোনটা কবিতা আর কোনটা কবিতা না।


কবি জীবনানন্দ দাশ বলেছেন সকলেই কবি নয় কেউ কেউ কবি। আধুনিক কবিতার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে স্বদেশ প্রেম, মানবতাবোধ, সাম্প্রতিক চেতনা, ধর্মনিরপেক্ষ কবিতার বৈশিষ্ট্য আরও অনেক ইত্যাদি।


কবিতায় মানুষেকে ঘুম থেকে জাগিয়ে তোলে
কবিতা মানুষকে কাঁদায় , কবিতা মানুষকে হাসায়, মানুষকে চোখে‌র ইঙ্গিত দিয়ে বুঝিয়ে দেয়, অনেক কিছু মানুষের ভুল বা মানুষের পথ , মানুষের প্রেম মানুষের স্বপ্ন। মানুষের ভেতরে আরেকটা মানুষ। ভালো দিক ,অথবা মন্দের দিক।


কবিতা ও মানুষের জন্য তৈরি । মানুষের কল্যাণে
কবিতা পড়তে হবে , কবিতা পড়লে আপনি আপনার ভেতরে মানুষ টা চেনতে পারবেন। কবিতা লেখার আগে অবশ্যই পাঠক হতে হবে, পূর্ব কবিদের লেখা পড়তে হবে, কয়েক জন উল্লেখ করলাম , কবি জসীম উদ্দিন , কাজী নজরুল ইসলাম, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
জীবনানন্দ দাশ, শক্তি চট্টোপাধ্যায়, সৈয়দ শামসুল হক, শামছুর রহমান বর্তমানে যারা খ্যাতিমান
কামাল চৌধুরী, হেলাল হাফিজ, মহাদেব সাহা,
আনিসুল হক, তপন বাগচি, নাসির আহমেদ, আবু হাসান শাহরিয়ার, মাকিদ হায়দার , আরও অনেক।


কবিতা সহজ সরল, সততা মানুষেরা কবিতা বেশি পছন্দ করেন। অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে
একটা ধারলো করাত। লেখক হওয়ার চেয়ে পাঠক হতে পারা উত্তম। সবাই যদি লেখক হয়
পাঠক হবে কে? আমরা পাঠক হলে কবিতা বুঝতে পারব কবিতা কেমন আসলে কবিতাটা কি?