ছন্দের মাত্রা বলতে আমি বুঝি সুসংবদ্ধ জ্ঞান,, শব্দের থামার শেষের নিদিষ্ট পরিমানকে একই স্তরে স্তরে ভাগ করা কে ছন্দের মাত্রা বলে।বাক্য গঠনে বাক্য পরিপূর্ণ ছন্দের সুন্দর সহজ পাঠ।আধুনিক এর কালে গদ্য ছন্দ রবীন্দ্রনাথ আবিষ্কার করছেন। শেষের তার কবিতা বেশি গদ্য ছন্দ লক্ষ করা  যায়নি জেনেছি। মাত্রা শব্দের আরো আধুনিক ভাবে বুঝানো যায় ।গদ্য ছন্দের মাত্রায় একই স্তরে সুবিন্যস্ত না থাকার কারনে, কন্ঠের শ্বাস প্রশ্বাসের পার্থক্য হয়। ছন্দের কাঠামো তৈরি করা একান্ত । অবশ্য বিশুদ্ধ গান কবিতার জন্য ছন্দের পরিপূর্ণ জ্ঞান লাভ উচিত। বর্তমান গীতি কবি এবং কবিদের ছন্দের প্রয়োগ অনেক বই করেছেন ,ছন্দের সহজ পাঠ ,আবিদ আনোয়ার । ছন্দের সহজ পাঠ, সুজন বড়ুয়া।বাংলা গান রচনা কৌশল, মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান। আরো অনেক আরো অনেক কবিতা মানে পদ্য ,গল্প মানে গদ্য  আজকাল গল্প প্রচ্ছদের তৈরি করেন গদ্য বৈশিষ্ট্য ছন্দ । কবিতার মান রক্ষা করতে  পার্থক্যের ও কথা। শুদ্ধ গান কবিতার জন্য ছন্দের, বর্তমান খ্যাতিমান কবি তাদের দৃষ্টি ব্যাকারন মাপিক । এবং এখনকার সময় কেউ কেউ ছন্দ নিয়ম জেনে ছন্দ ব্যবহার করে যাচ্ছেন তাও যেন ভুল বাক্য । শব্দ বাক্য পরিপূর্ণ অর্থ মনের ভাব প্রকাশ করা হয়না শুদ্ধ কবিতার আমরা শব্দের ইচ্ছে মতো মধ্যে খন্ডন ব্যবহার করি ,কিন্তু ছন্দ যেখানে থামা হয় সেখানে কি ছন্দের মাত্রা পরিপূর্ণ হয়। যেখানে থামা হয় সেখানে নিদিষ্ট মাত্রা । এ যদি আমরা শব্দের শেষ বাক্য মধ্যে খন্ড যোগ করে শেষ করি। কিন্তু ইচ্ছে মতো মতো মধ্যে খন্ডন ব্যাকরণ বহির্ভূত একটি উদাহরণ।


স্বরবৃত্তে ছন্দ ছড়া লেখা হয়ে থাকে...।
কেনো জানি এতো বেশি
মনে পড়ে আজকাল,
তোরে জন্য আমার ভেতর
এতোটা যে আজ বেহাল।


কেনো এতো ভাবের এই বেগ
তোরে দিকে ছোটে,
কেনো এতো সকাল বিকেল
মনের ভেতর খোটে।


আমি জানি কেউনারে তুই
আবেগ ভরা এক প্রেম,
সারা জীবন ভাবছি যাকে
ভেবে কোথায় এলেম।


বিশ্লেষ......।


কেনো জানি/ এতো বেশি /
মনে পড়ে/ আজকাল,
তোরে জন্য/ আমার ভেতর /
এতোটা যে/ আজ বেহাল।


কেনো এতো/ ভাবের এই বেগ/
তোরে দিকে /ছোটে,
কেনো এতো /সকাল বিকেল /
মনের ভেতর /খোটে।


আমি জানি/ কেউনারে তুই /
আবেগ ভরা /এক প্রেম,
সারা জীবন/ ভাবছি যাকে /
ভেবে কোথায় /এলেম।
কবিতাটি , রচনা মুসা