জগত জুড়ে সুখের দেখার নাগাল পাইল কজনায়,,,
দুঃখেরই রস খেয়ে দেয়ে ভরেছে পেট ঝোলায়!!
দুঃখ নদীর সুখ তালাসে মজনু ফকির কাতারে,,,,,
ঠেকছে দুঃখ জীবন ছুয়ছে ভিজেছে গার চাদরে ।


সুখ সন্ধানি নাকি শুধু কিছুই যেনো প্রত্যাশা,,,
না তো না রে ওকি যতো চাওয়া পাওয়ার হতাশা।।
যাহা ভাবে অথচ কঠিন পাওয়া থাকে দুর্লভ।।
বেহিসাবি ভেবে রাখে সবই যেনো সুলভ।


এক নাকানের খেয়ে চুকান হলো শেষে হুশ,
সবকিছু যা থেকে পরে আবার লেগছে ঘুষ।
সকলে চাই অনেক বড়ো সচ্ছল ধরন কিছু,,,
নাগাল থাকে হাত বিগতে অনেক মাথা পিছু।


সুখ সুখ করে অনেক কাঁদে আশায় বাধে বুক
বছর ঘুরে ফিরে আসে কোথায় তাহার সুখ।
জগত জুরে সুখের খোজে কোথায় আছে সুখ,
এদিক দেখে ওদিক দেকে লালসায় নাক মুখ।
সুখের কথায় মাথা ঘামায় সচরাচর লোক,,
দুঃখের তাপকে সহ্য কাঁটায় সদ্য মনের লোক।


আদিকাল যার থেকে পরে পুড়ছে তাহার মাথা,
হাজার যুগের দুঃখের তাপের তাহার ছিল গাঁথা।
চন্দ্রকোণা বরফ মাথায় দেখছে খেলা ভাই,
তাহার মাঝে দেখা ছাড়া খবল জুড়ি নাই।


সুখ নামের যার সারা জনম মানুষেরই অসুখ।
সুখ মানুষের কোথায় আছে সবাই মিলে দেখুক।
সূর্য্য লোকে অনল পোড়ে সাড়া মাঠে পোড়ায়,
তাহার রাগে ভাঙে পাজর সকল দেহের জোড়ায়।


চন্দ্রালোকেই চরন বরন আছে সেথায় সুখ।!
চন্দ্রকোণা অভাব খেয়াল মেঘে ডাকছে মুখ।