তুমি বৈশাখ বিতানের বৈশাখী
জ্যৈষ্ঠময়ী মধুকরী
তুমি আষাড়মেঘে শাওলী সেজে
ধরায় ঝরা শ্রাবণী।


তুমি ভাদ্র অঙনে কৃষাণ মতি
আশ্বিনে সবুজ হাসি-
শরৎ মুখরে শারদীয়া তুমি
বিজয়া দশমী শশী।


তুমি হেমন্তে আলোকিত হৈমন্তী
ভোরাঙ্গিনায় কুহেলি
তুমি কাশফুল তুফানে উড়াও
ধবল পালের তরী।


তুমি নম্রমুকুলে শোভিত শোভা
শীতের সকালে শুভ্রা
তুমি হিমেলেরই পরশে লাগা
সরষে ফুলের দোলা।


তুমি চৈত্র রাতের চৈতালি চাঁদ
ফাগুনগন্ধা ফাল্গুনী
তুমি কৃষ্ণচূড়ার ফাগের রাঁগে
বসন্তিকায় বাসন্তি।


তুমি নির্জন বনের নির্জনতা
বৃষ্টিসুখের গাহন,
তুমি সমূদ্র বুকের ঊর্মিদোলা
সুখোস্বস্তি সমীরণ।


তুমি বার মাসের তের পার্বণ
উৎসবোৎস্য কণা,
তুমি অনন্যাময়ীর জ্যোতির্ভূতা
আলো উদ্ভাসি অরুণা।।
    
রচনাকালঃ মিটুল কুমার বোস।
      [ 22/05/2004, শানিবার