=
মা, তুমি-
যতো'ই তুচ্ছ মনে করো- তোমার ছেলেকে৷
করতে পারো, সে তোমার অধিকারে আছে৷
যতো'ই অ-সুন্দরে'র তকমায়- বেঁধে দাও,
আমার রূপে'র আবাহন৷
বাঁধতে পারো, সে বুঝ'ই তোমার সু-মহান৷
তোমার অর্পিত কলঙ্কে'ই, আমার- নির্বোধ পথ-সান৷


তোমার হৃদয়ে'র, সব তেতো- পরিসীমা-কে,
আমার স্ব-শ্রদ্ধ সালাম৷
তোমার বুকে'র ধন নয়,
তোমার মুখ-নিশ্রিত সকল কটু-ভাষ্য'ই,
আমার আশীর্বাদ সোপান৷
তোমার মমতা'র আঁচল নয়,
বিতাড়িত করবার প্রবঞ্চনা'ই,
আমার পরম পাথেয়, চিরোতরে৷


তুমি চাইলে,
বর্জনে'র অধ্যায় সর্বোস্ব- জমাতে পারো৷
আমি সহনশীলতা'র অমরত্ব নিয়ে,
পথে'র ধূলোয় আস্তরীত সাইনবোর্ড হয়ে,
দাঁড়িয়ে রইবো- সহস্র শতাব্দী সমায়তন৷
লেখা'র হরফে আঁকা থাকবে, চিত্র-বিশ্ব নিপুণতায়-
আমার মা, আমায়- খুব ভালো এবং সুন্দর জেনেছিলো৷
আরো- জেনেছিলো, আমি বেকুব ছিলাম-না৷৷
=
রচনা-সময়ঃ ২০১৫-২০১৬
=
মার্জিত রূপঃ বয়ানে নয়, ধরণে৷৷
=