জন্ম নিয়ন্ত্রনের পক্ষে বিপক্ষে আমর কোনো বক্তব্য নেই।
আপনাদের সামনে আজ আমি বরং জন্ম বিবর্তণ নিয়ে কথা বলি।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কথা আপনাদের নিশ্চয় মনে আছে, অন্তত এর ওর মুখে খানিক শুনেছেন অনুমান করে নিতে পারি।
আপনারা জানেন এর আগে কোন প্রেক্ষাপটে জাতিপুঞ্জ খুন হয়েছিল।


১৯৪৫ সাল। আমার তখন মাত্র জন্ম
ম্যানহ্যাটানের অন্দরে হাঁটি হাঁটি পা পা অবস্থা।
আমার জনক রবার্ট ওপেন হাইমার আমার নাম দিয়েছিলেন-লিটল বয়।
আমার জন্ম ও বেড়ে ওঠাটাও ছিল খুবই গোপনে। এমন কী মিত্রশক্তির সঙ্গপাঙ্গরাও আমাকে কল্পনা করেনি।


৬ আগস্ট, সকাল ৭:৪৫ মিনিট।
আমার একান্ত অনিচ্ছা সত্ত্বেও আমাকে এনোলা গে বি-২৯ বিমানে
তুলে দেয়া হলো। ট্রুম্যান, মাই লর্ড, পূর্বেই আমার কর্তব্য স্থির করে দিয়েছিল।
জন্ম নিয়ন্ত্রনের পক্ষে বিপক্ষে আমার কোনো বক্তব্য নেই।


আপনারা জানেন, সেদিন সকালেই আমার ঊন্নাষিক তেজষ্ক্রিয় লাভার নিচে চাপা পড়েছিল হিরোশিমা নগরী এবং ক্রেমলিনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত।
...পক্ষে বিপক্ষে আমার কোনো বক্তব্য নেই।


লাভ ক্ষতির হিসেবে ফলাফল আপনাদের জানা আছে।
জাপানিজ সৈন্য ব্যারাকে কোরীয় যৌন দাসীদের অশ্রু ইভাপোট্রান্সপিরেশনের ডেফিনেশন সেদিন ঠিক ঠিক মেনে চলেছে।
রঙ্গ ঘরে নীরব শব্দে কেঁদেছে যুবতির দেহ, মানুষের অধিকার।
আর এসব কিছুই ঘটেছিল আপনাদের যাদের চোখ আছে তাদের চোখের সামনেই, টু শব্দটি কেউ করেননি।
আপনারা বিদ্বান, আপনারা এর সবই অবগত আছেন।


জন্ম বিবর্তনের পক্ষে বিপক্ষে আমার আর কোনো বক্তব্য নেই।