প্রিয়তা,


যা কিছু আছে এই মনে,
রাখব চিরদিন সংগোপনে...


আমাদের আবেগ,অনুভূতি, সহানুভূতি,
চোখের জ্বল কিছুই থাকতে নেই...
কেননা আমরা নিচুঁ মনের।


বিশ্বাস করতে নেই এত নিচুঁ মানুষদের,
আমাদের মত মানুষদের বিশ্বাস কথাটাও
এক হাসির ছল তাদের কাছে...
আমাদের চোখের জ্বল বৃষ্টির
ঘোলাটে পানির মত মূল্যহীন।


যখন অকথ্য ভাষায় লিখেছে মেসেজ আমায়,
যখন ফেবু তে ছবি দিয়ে লিখা হয় আমি......এমন
যখন ফেবু তে মেয়েদের উত্যক্ত করে
নাম্বার দেওয়া হয় আমার...
যখন ফোনে ইচ্ছেমত গালাগাল দিতে থাকে
নির্বাক হয়ে যাই এই আমি...
বুকের ভিতর থেকে বেড়িয়ে আসে কয়েকটা দীর্ঘশ্বাস, দীর্ঘশ্বাস কি তা জানো...?
চোখ বেয়ে নেমে আসে ঘোলাটে অশ্রু কনা।


আরো আছে যে বাকি কত কি...?
নেই তা জানা আমার...


ভাল থাকুক প্রিয়জন,
এই বলে চোখ বুঝে নেই তখন...


আমায় দূরে রাখতে চলছে,
চলবে কত কি আয়োজন...
তবেকি আমি ছিলাম কখনো তোমার প্রিয়জন...?


কত কথাইতো রয়ে গেল মনের গহীন কোণে...
রাখতে পেরেছি কিনা জানে শুধু সে...


যেদিন সে না করেছিল যেন না দেই কল মেসেজ...
সেদিন থেকে লিখেছি কোথায় তা কি জানে সে..?
হয়তো জানবে, নয়তো না।
ধুলি ছাড়া সেই লিখা কেউ আর পড়েনা এখন।


সময়ের পরিবর্তনে হয়তো ভুলে যাবে
একদিন এই আমি কে ছিলাম।


যখন দীর্ঘ প্রায় একটি বছর পর দেখলাম,
শুধু তাকিয়েই দেখলাম আর দেখলাম...
অনেকটা শুকিয়ে গেছে সে,
কতটা গোছালো হয়েছে সে আজ...


যদি অগোছালোই থাকতো তবে আমায় দেখতো...


আমার অনেক কিছু লেখা লেখি এখন
হয়তো তার বিরক্তির কারণ...
তাই চলে যাচ্ছি আর কখনো করতে হবেনা বারণ।


শুধু বলতে চাই তাকে...
কথা দিয়েছি যা হবেনা কখনো তার অন্যথায়...
নিশ্চিন্তে যেন থাকতে পারে সে,
প্রতিটা সময় যেন হয় তার শুভক্ষণ।


রাত জাগা চোখের ভাজেঁ ভাজেঁ শুধু অন্ধকার,
ঘুমিয়ে পড়েছে আমার চারদিক
শুধু জাগ্রত আমার হৃদয়ের ক্ষত দুটি চক্ষু,
আর আছে একটি অপেক্ষা,হয়তো তা আমার তিরোধান, নয়তো সে জানে।


ভালো থাকুক প্রিয়, ভালো রাখুক তার প্রিয়জন,
হাসির ছলে উড়ে যাক
আমার হৃদয়ের রক্তাক্ষরে এই লিখা।
নিরব নিভ্রিত কেটে যাক আমার একলা একা।


(নোটঃ প্রিয় পাঠক এটা কতিতার ছলে লিখা হলেও কোন কবিতা নয়,এ আমার অশ্রুগাথা,দীর্ঘশ্বাস মাখা একটি লিখা। আমার চারদিক ঘিরে অশ্রুর স্রোতেরা আমায় তাদের মত ভাসিয়ে নিয়ে যায়,যেদিকে মন চায়।)