ধরণী তলে কে-ই বা হবে এমন আপনজন,
ভাববে সদা আমার কথা প্রতিদিন প্রতিক্ষণ।
উহু রবে আসবে ছুটে কাম কাজ সব ফেলে,
না বলিতে বুঝে নিবে আমার ক্ষুধা পেলে।
কে-ই বা আমার কষ্টের ভাগ নিবে আপন করে,
আমার দোষের সিংহভাগটা কে-ই বা নিবে ঘাড়ে।
না ফুটিতেই বুঝিবে কে আমার মনের কথা,
চাইবে কে সে উচু রয় যেন সদা মোর মাথা।
আকাশের তারা হাতে এনে দিতে কে দিবে প্রতিশ্রুতি,
কে-ই বা দিবে বিনিময়হীন অঘাধ প্রেমপ্রীতি।
নয়া আচলে কপালের ঘাম মুছে দিবে কোন জনা,
প্রখর তাপে কোদাল হাতে নিতে কে করিবে মানা।
জানা আছে কারো? আছে কি এমন? এ ধরণীর পর,
এসো, এসো, দল বেধে সব; দেখে যাও মোর ঘর।
মধ্য দূপুর, চারদিক রুদ্দোর, তবু মোর ঘরে আছে ছায়া,
শীতল বায়ু প্রবাহীত হয় খাটের প্রতিটি পায়ায়।
পাখা হাতে দেখ বসে আছে মা শীতল পাটি পেতে,
খাবার পাত্র আছে দেখ মোর মা-জননীর হাতে।
স্বর্গ বল, নরক বল, মা-ই যে আমার সব,
আচল তলে তার; পেয়ে গেছি আমি সারা সাত ভব।



রচনাঃ ২১/০৬/১৫ ইং