শ্রদ্ধেয় নানু ও নানাভাই স্বরনে


দেখ নানাভাই তোমার তরে
মোরা নিবেদিত প্রান
তোমার ই নামে করেছি বাগিচা
তাজাম্মুল হোছাইন খান।
তোমার বাগানে ফুলের মেলা
সকাল বিকাল করছে খেলা
তোমারি অঙ্গনে গেয়ে যাই মোরা
জীবনের জয়গান।
তোমার নামের গ্রুপে আমরা
সবে মিলে এক হই
উপকারি সব তথ্য বিলাই
হাসি ঠাট্টাতে রই
বিপদে আপদে সবাই সবার
সচেতন হই পাশে দাড়াবার
সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে
রাখি তোমায় অম্লান।।
যোজ্ঞ নানাজী আমরা তোমার
যোজ্ঞ উত্তরসুরি
অগনিত আলেম হাফেজ তোমাতে
রহিয়াছে ভুরিভুরি
গুনে ও জ্ঞানে ধন্য সকলে
বলিয়ান মোরা ঈমানের বলে
ইলেমে আমলে তোমার মহলে
বিধাতার খাছ দান।
তোমার হাতের মুঠোয় আজকে
রয়েছে ধরনি কোষ
আরো আছে কত সৎ সন্ধানি
রয়েছে শহিদি যোষ
বিশ্বে আমরা ছড়ায়ে ছিটায়ে
জীবনের নেক পিপাসা মিটায়ে
ধরার বুকে সঞ্চয় করেছি
অঢেল ধনও মান।
তোমার আকাশে বহু রুপি তারা
উজ্জলতর ছবি
রয়েছে তোমাতে কত মহিয়সি
রয়েছে শিল্পী কবি।
আজকে যদি থকতে ভবে
দু চোখ ভরে দেখতে সবে
তৃপ্তিতে তবে ভরিয়া উঠিত
তোমার হৃদয় খান।।
কাননে ফুটেছে কুসুম কলি
নেই যে সেথায় মালী
জমায়েছো পাড়ি নাফেরার দেশে
বাগিচা করেছ খালি।।
তোমাদের তরে মোদের দোয়া
পেয়ো যেন চির সুখের ছোয়া
প্রভুর দয়ায় ক্ষমা করে যেন
দেন চির সম্মান।।


সনাম ধন্য নানাজি আমার
কৃতি সন্তান তুমি
জন্মে তোমার ধন্য হয়েছে
পিরোজপুরের ভুমি
কলকাতা হতে স্বর্ণ পদক লাভ
ইসলামি প্রবন্ধ কার
পাঠ্য পুস্তক প্রনয়ন কারি
তুমি অধ্যক্ষ ছারছিনার।
সম্ভ্রান্ত পরিবারের অধিনায়ক নানা
ছিলে জ্ঞান ভাণ্ডার
শত ওস্তাদের ওস্তাদ তুমি
অতি প্রিয় জনতার
কত যুগ হলো নিয়েছো বিদায়
তব দেখা নাহি পাই
তবে সম্মাননা মরোনোত্তর
আজো দেখিতে পাই
ভবের হাটে আমি আসার আগে
তুমি দিলে নানা পাড়ি
সালাম ও দোয়া জানাই সকলে
সমাধির পাশে দাড়ি।