তোমার উদাসীনতা গুলো ভালোলাগতো-ভালোলাগতো তোমার বাচালতা,
তা যে এখনো হৃদয়ে গাঁথা।
যখন ছিলে তোমার বাবার বাড়িতে,
তখন তুমি চিঠি লিখতে -প্রতিনিয়ত একটা করে অামার উদ্দেশ্যে।
ক্লাসের ফাঁকে যখন বন্ধুরা এসে ভীড় জমাতো-তোমার লেখা চিঠির জন্য,
তখনই যেন ফোন কেঁপে উঠতো!
কল দিতে তুমি-
যেন প্রতিদিনই একই রেকডিং শুনাতে,"কি করছো তুমি?
অাচ্ছা জ্বালাতে তুমি!
সম্পর্কের প্রথম বসন্তের কথা মনে পড়ে,
তুমি এসেছিলে অামার ব্যাচেলর রুমে।
ঠিকমতো ঘুমাতেও দিতে না,
বলতে যেন পাগলীর মতো করে,"অাজ সারাদিন ঘুরাতে হবে"।
সেই সন্ধ্যার কথা মনে অাছে?
বৃষ্টি হলেই যেন ভিজতাম দুজনে।
তুমি ছিলে সবুজ ঘাসের দ্বীপ,
অার অামি সেখানকার পাহাড়।
তোমার পায়ের মৃদু শব্দে গাঙচিল গুলো ভীড় জমাতো এ নীড়ে।
তোমার প্রজাপতির মত উড়ন্ত ভালোবাসা দেখে,
সুখি হয়েছিল সেদিন যাহারা!
তারা অাজো সুখে অাছে!
কিন্তু অামি পারিনি!
যেন একটা থমকানো বাতাস ছিলে তুমি,
হয়তো একটা শব্দ!যে শব্দ প্রতিনিয়ত ঢাকার রাস্তায় শোনা যায়।
তোমার অনুভব তোমার মৃত্যুকে হারমানিয়ে
চলে অাসে অামার নিকটে।
এই পৃথিবীর বুকে তোমার স্মৃতিগুলো অাজো কাঁদে,
পাতায় পাতায় অাজো দেখা যায় তোমার দৃষ্টি জুড়ানো রূপ।
অাজো একটা বসন্তের অপেক্ষা করে হৃদয়,
যে বসন্তে তুমি রবে।
তোমার হাত দুটি ধরে নিয়ে যাব দূরে,
অামার বকুল পিয়াসি মন,
তোমারে বলিবে ডেকে,"তুমি অামার এ নিরব নিরালোকে।