--------------পলাশ----------------------
******************************
নামের সার্থকতা নিয়ে জীবন এক্কাগাড়ি চালাতে
গাড়োয়ান মন আজ বড়ই ক্লান্ত।
কানা ছেলের নাম বাপ-মায়ে আদর করে -
পদ্ম-লোচন রাখলেও,
সে কখনও সুলোচন হয়ে ওঠে না !
আমার নামের সার্থকতা
প ' কে বাদ দিয়ে
একটা জীবন্ত 'লাশের' মাঝে, কিম্বা....
লাশ' কে উল্টে দিয়ে আঙিনার কোনো -
আবর্জনা পরিষ্কারের দ্রব্য বিশেষে!


দিন হোক রাত হোক
জীবন এক্কা গাড়ি চলে না একা।
যাত্রীর দিবা-নিশি সাথী পথ,
সে পথে চলতে..ও অগ্রজ লাগে।
এ জীবন চলে ---
নিশীথে সুবাস ছড়ানো ফুলের মত,
তারও বাতাস প্রয়োজন।

জীবন যুদ্ধের এই যাত্রা পথে - -
নিজেই গাড়োয়ান নিজেই যাত্রী আমি ।
আসলে পণ্য স্বরূপ এই দেহটির আদি অর্থ অবিদিত,
বেচা-কেনার হাট আছে ; কিন্তু - -
ক্রেতা সে হাটে নেই।


চাঁদের আলোয় নক্ষত্র পুঞ্জ যেমন ম্লান হয়ে যায়,
আমার জীবনের শীর্ষে -
এই नশ্বর দেহটার গুরু -
পলাশ নামটাও তেমনই ।
ঠিকানা হীন যে পাখিটা নীল গগনের বুকে -
যেমন করে উড়ে বেড়ায় বাসার আসায়,
আমার নামের সার্থকতা 'পলাশ'ও -
খুঁজে ফিরি তেমনই -
নীড়বিচ্ছিন্ন একটা প্রকৃত মানুষের মাঝে।


## পলাশ বিশ্বাস