অনাথ পথের শিশু যৌবনের দ্বারে
এনেছিল তুলে তারে অভাগিনি নারী
ভিক্ষাই সম্বল যার পরহিতকারী।
আজিকে সায়াহ্নে যে সে গেছে পরপারে
মনোবেদনা এবার জানাবে কাহারে।
দুঃখদৈন্য মা-মেয়ের অন্তরে সঞ্চারী
পশ্চাতে কেউই নেই, মাতাই দিশারি
লোলুপ শ্যেনের দৃষ্টি পথে চারি ধারে।


বিপন্ন জীবন-তরি ঝঞ্ঝাক্ষুব্ধ ঢেউ
হারাবে নিমেষে প্রাণ পড়ে ঘূর্ণাবর্তে
কী করে কাটাবে কাল! কুটিল সমাজ।
বলিষ্ঠ দুখানি হাত বাড়াবে না কেউ
দুমুঠো শাকান্ন পেলে রবে বেঁচেবর্তে
নিঃসঙ্গ নারীর কথা শোনো প্রভু আজ।