ভুবনদাদুর বড়ই অভাব
কোনোক্রমে চলে
নামমাত্র রোজগার তাঁর
কষ্ট পলে পলে।


ছেঁড়া জামা যষ্টি হাতে
পার্কে সময় কাটে
ছোটোরা তাঁর বন্ধু সবাই
মাঠে, রাস্তাঘাটে।


সবাই আছে কেউ দেখে না
মনে বড়ই ব্যথা
কারো কি আর সময় আছে
শুনবে দাদুর কথা?


দেখতে পেলে ডাকবে কাছে
মনের কথা বলে
ওরাই বোঝে দাদুর বেদন
ভাসে অশ্রুজলে।


দাদুর কাছে জানতে পারে
জুটবে না আজ আহার
শাসিয়ে গেছে হোটেল মালিক
একশো যে তাঁর ধার।


পল্টুসোনার মনটা ভারী
করবে কী যে আজ
উপায় খোঁজে সারাটা দিন
খারাপ মনমেজাজ।


জমিয়ে রাখা কৌটাতে তাঁর
অনেক টাকাকড়ি
সেখান থেকেই মিটিয়ে দেবে
আজই তড়িঘড়ি।


জন্মদাত্রী পুলকিত
পল্টুর মমতায়
মায়ের চুমা দাদুর আশিস
সবার সোহাগ পায়।