দিনের সোনালি আলো নিবে এলো প্রায়
তমসা করবে গ্রাস, এখন গোধূলি
শেষ রশ্মিছটাটুকু যাত্রাশেষে দান
বিষণ্ণতা ফেলে ছেয়ে কী হবে এবার!
ভবিতব্য অনিবার্য এড়ানো না  যায়
শত ছিদ্রে ভরা এই পরমার্থ ঝুলি
একমাত্র বোঝে তাহা দিব্যচক্ষুষ্মান
খুলে গেল যাত্রাপথ অনন্তের দ্বার।


জীবের অন্তিম দশা সুস্থির শয়ন
চির শান্তি চির নিদ্রা নীরব প্রান্তর
বিদেহী অমর আত্মা শূন্যে ভাসমান।
প্রস্ফুটিত কোকনদ পেল শ্রীচরণ
অমল আলোয় ভরা মন্দাকিনী চর
জ্ঞানচক্ষু উন্মীলিত নৈসর্গিক টান।