কাব্য উপহার প্রথম পর্ব


কাব্য সম্রাট কাব্য উপহার
13.01.2018 তারিখে প্রদান করা হয়েছে
কবি সঞ্জয় কর্মকার মহাশয়কে।


বাংলা কবিতা আসরের পরম শ্রদ্ধেয় কবি তথা সবার সেরা কবি
কবি-সম্রাট শ্রী সঞ্জয় কর্মকার মহাশয়ের উদ্দেশ্যে
উত্সর্গীকৃত আমার চতুর্থ কবিতা।


কবির সম্মান
              - লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী


উত্তর বঙ্গে নিবাস শিলিগুড়ি ধাম,
সেথায় থাকেন কবি শ্রীসঞ্জয় নাম।
কর্মকার কূলোদ্ভব অতি প্রজ্ঞাবান,
কবিরে জানাই মোরা সহস্র প্রণাম।


সৃজিলেন কাব্যস্রষ্টা কাব্যের সম্ভার,
কবিতা আসর মাঝে দিতে উপহার।
লিখিলে সহস্র কাব্য হে কবি মহান!
কবিরে জানাই মোরা কবির সম্মান।


রোগীর সেবা কবির জীবনের ব্রত,
দিবানিশি হন তিনি চিকিত্সা রত।
বিধাতা দিলেন প্রাণ কবি দিল জ্ঞান,
কবিরে দানিব মোরা কবির সম্মান।


শিখাইলে সবাকারে “করো সেবা দান”,
ভক্তি শ্রদ্ধা প্রাপ্য তব, হে কবি মহান!



লহ কবি প্রণাম
              - লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী


দিকে দিকে নিনাদিত জয়গান তব,
আমি অতি মূঢ়মতি কি আর বর্ণিব।
অমর মহিমা তব কবিতা আসরে,
কবিগণ সবাকার চিত্ত ওঠে ভরে।


কাব্যসুধা রত্নাকর তুমি মহাজন,
কাব্যপাঠে সবাকার ভরে ওঠে মন।
অজেয় অমর তুমি হে কবি মহান!
স্নেহ সুধা সবাকারে করিয়াছ দান।


অপার মহিমা তব বিদিত ভুবন,
সেই জানে কাব্যপাঠ করে যেইজন।
প্রত্যহ কবিতা কত দিলে উপহার,
কবিবর লহ মোর কোটি নমস্কার।


কাব্য সিন্ধু মহাকবি কহে সর্বজন,
কবিতায় লিখে কবি শ্রীমান লক্ষ্মণ।


কবি-সম্রাট
           - লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী


কাব্য-রত্ন সুধাকর হে কবি মহান!
আসরে কবিতা কত করিলে প্রদান।
কত যে কবিতা তুমি, লিখিলে হে কবি!
কবিতায় আছে আঁকা সকলের ছবি।


অজেয় লেখনী তব বিদিত আসরে,
পুষ্পসম কবিতারা বৃষ্টি হয়ে ঝরে।
আমি অতি মূঢ়মতি কি বর্ণিব আর,
আসরে কবিতা কত দিলে উপহার।


কাব্য সুধা রস তব অমৃত সমান,
সেই জানে কাব্যরস যে করেছে পান।
লিখিলে কবিতা কত নাহিক বিরাম,
হে কবি! তোমারে আমি জানাই প্রণাম।


কবি-সম্রাট উপাধি দানিল সকলে,
লক্ষ্মণ লিখিল কাব্য কবিতার ছলে।



কবিবরেষু
           - লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী


জ্ঞানের প্রদীপ তুমি জ্ঞানের জগতে,
উত্তরে উত্তরে আজি প্রকাশের পথে।
ছড়িয়ে আলোকমালা কবিতা আসরে,
লিখিলে অমর কাব্য উত্তরে উত্তরে।


যেমতি সজ্জিত নব লতাগুল্মরাজি
করয়ে আশ্রয় তরু চিরদিন তরে,
তেমতি মোরা সবে যত কবিগণ
স্নেহ-সুধা রস তব করিয়াছি পান।


সবার হৃদয় জুড়ে আছো তুমি কবি
হৃদয়েতে আছে রাখা প্রিয় তব ছবি
লিখিয়া লেখনী তব অমর কবিতা,
অমর হউক প্রিয় তব কাব্য গাঁথা।


কাব্য সুধাকর তুমি! লহ নমস্কার,
তব স্নেহাশীষ যেন পাই অনিবার।



কবিতা সম্রাজ্ঞী কাব্য উপহার
16.01.2018 তারিখে প্রদান করা হয়েছে
কবি পারমিতা (অনুরাধা) মহাশয়াকে।


বাংলা কবিতা আসরের স্বনামধন্যা প্রিয়কবি
মাননীয়া পারমিতা (অনুরাধা) মহাশয়াকে
উত্সর্গীকৃত আমার কবিতা।


কবিতা সম্রাজ্ঞী
              - লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী


কাব্যলক্ষ্মী তুমি কবি প্রণমি তোমায়,
কবিগণে সবে তব জয়-গান গায়।
অজেয় লেখনী তব অতি ক্ষুরধার,
তুমি দেবি লহ কবি, প্রণাম আমার।


নহ কবি তুমি দেবি, লক্ষ্মী-স্বরূপিনী,
কাব্যপাঠে জ্ঞান বাড়ে জ্ঞান প্রদায়িনী।
লিখিয়াছ কাব্য শত নব ভাবনায়,
কবিরে সতত মোরা প্রণাম জানাই।


অপরূপ কাব্যে তব শব্দের ঝঙ্কার,
সমধুর কাব্যশৈলী প্রয়োগ ভাষার।
কবিতাপ্রেমী হে কবি, তব কবিতায়
কাব্যপাঠে মুগ্ধ সবে তব গুণ গায়।


কবিতা সম্রাজ্ঞী নামে কহে সর্বজন,
কবিতায় লিখে কবি ভাণ্ডারী লক্ষ্মণ।



কাব্যশ্রী কবিসম্মান
17.01.2018 তারিখে
প্রদান করা হয়েছে ।


1. কবি সুমিত্র দত্তরায়
2. কবি খলিলুর রহমান


বাংলা কবিতা আসরের উদীয়মান দুই প্রবীণ স্বনামধন্য মহান কবি,
কবিশ্রী সুমিত্র দত্তরায় মহাশয় ও কবিশ্রী খলিলুর রহমান মহাশয়
কবিদ্বয়কে একই সাথে উত্সর্গীকৃত আমার কবিতা।


কাব্যশ্রী কবি-সম্মান
              - লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী


একই বৃন্তে ফোঁটা দুইটি কুসুম হিন্দু আর মুসলমান,
কবিশ্রী সুমিত্র দত্তরায় অন্য কবিশ্রী খলিলুর রহমান।
দুটি কবি মন এক হয়ে যখন ভালোবাসে পরস্পরে,
কবিতা আসরে আপন পাতায় লিখেন দুই কবিবরে।
কবিতার আসরে উচ্চে সবার আছে লেখা দুটি নাম,



এক কবি যখন মন্দিরে বসে, ভগবানের পূজা করে,
অন্যে তখন খোদার নাম নিয়ে মসজিদে নমাজ পড়ে।
প্রার্থনা আর আজানের সুরে গাহিল দোঁহে ধর্মের গান,
এক সরোবরে দুটি শতদল, এক হল আজি দুটি প্রাণ।



এককবি থাকেন এদেশে, অন্যকবি থাকেন বিদেশে,
দুইটি কবি মন মিলে অনুক্ষণ কবিতার পাতায় এসে।
দুটি হৃদয় এক সুত্রে বাঁধা জন্মস্থান ভিন্ন ভিন্ন ধাম,
দুই কবিরে সতত মোরা, জানাই শত সহস্র প্রণাম।



শ্রদ্ধা অর্ঘ স্বহস্তে ধরে মোরা কবিগণ সব এক হয়ে,
এক হউক দুটি কবি মন একই সুর বাজুক হৃদয়ে।
দুই কবিবর বয়সে প্রবীণ মহাজ্ঞানী আর প্রজ্ঞাবান,
দুই কবিবরে দানিলাম আজি “কাব্যশ্রী” কবি-সম্মান।



ধর্মে দুজন আলাদা হলেও একই রক্ত সদা বহমান,
দুই কবিরে সতত মোরা করিব সদা শ্রদ্ধা ও সম্মান।
ভারত অষ্ট্রেলিয়া দূরে হলেও একই বিশ্বের অবস্থান,
মোরা কবিগণ সবে এক হয়ে গাহিব কবির জয়গান।



একই বৃন্তে ফোঁটা দুইটি কুসুম হিন্দু আর মুসলমান,
কবিশ্রী সুমিত্র দত্তরায় অন্য কবিশ্রী খলিলুর রহমান।


কাব্য প্রভাকর কবিসম্মান
21.01.2018 তারিখে প্রদান করা হয়েছে
কবির হুমায়ুন মহাশয়কে।


বাংলা কবিতা আসরের স্বনামধন্য কবি, আমাদের সবার প্রিয় কবি, পরম শ্রদ্ধেয় মাননীয়
মহা-কবি, কাব্য-রস-সিন্ধু, কবির হুমায়ূন মহাশয়, যিনি আমার চলার পথের
উজ্জ্বল ধ্রুবতারা, তাঁর শ্রীচরণ কমলে উত্সর্গীকৃত আমার কবিতা।


কাব্য প্রভাকর কবিসম্মান
                       লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী


বাংলাদেশে ঢাকায় মিরপুর ধামে,
থাকেন কবি কবির হুমায়ূন নামে।
কাব্য রত্ন সিন্ধু তুমি প্রিয় সবাকার,
প্রণাম জানাই কবি চরণে তোমার।


রবি সম তেজোপুঞ্জ দৃপ্ত কলেবর,
কাব্য চর্চা রত কবি হেরি নিরন্তর।
জ্বালিলে প্রদীপ তুমি নাশিয়া আঁধার,
প্রণাম জানাই কবি চরণে তোমার।


কাব্য রত্নাকর তুমি, হে কবি মহান!
জ্ঞানের প্রদীপ তুমি, মহা জ্ঞানবান।
নিত্য তব হেরি নব কাব্যের সম্ভার,
প্রণাম জানাই কবি চরণে তোমার।


"কাব্য প্রভাকর" তুমি কহে সর্বজন,
কবিতা লিখিল কবি ভাণ্ডারী লক্ষ্মণ।



ছন্দ যাদুকর-কবি সম্মান
27.1.2018


বাংলা কবিতা আসরের স্বনামধন্য শ্রদ্ধেয়কবি
অজিত কুমার কর মহাশয়ের চরণকমলে
উত্সর্গীকৃত আমার কবিতা।


ছন্দ যাদুকর-কবি সম্মান
        - লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী।


কাব্য দিবাকর তুমি হে কবিশেখর!
ছন্দের আকর তুমি, ছন্দ যাদুকর।
লিখিলে বিবিধ কাব্য কবিতা সম্ভার,
প্রণতি জানাই কবি চরণে তোমার।


রবিসম দীপ্ত তেজে প্রকাশিলে কর,
কাব্যচর্চা রত কবি সদা নিরন্তর।
লিখিলেন বহু কাব্য বিবিধ প্রকার,
প্রণতি জানাই কবি চরণে তোমার।


কাব্য রত্নাকর তুমি প্রিয় কবিবর,
কাব্য পাঠে মুগ্ধ মন প্রফুল্ল অন্তর।
সশ্রদ্ধ প্রণাম লহ আমা সবাকার,
প্রণতি জানাই কবি চরণে তোমার।


ছন্দ যাদুকর কবি, সবে তব বন্দে,
লিখিল লক্ষ্মণ কাব্য কবিতার ছন্দে।


কাব্য-সর্বশ্রী কবিসম্মান
23.02.2018
বাংলা কবিতা আসরের পরম শ্রদ্ধেয় কবি গোপাল চন্দ্র সরকার মহাশয় ও  শ্রদ্ধেয় কবি মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান মহাশয় দুই বাংলার কবি আমাদের কবিতা আসরকে দিনে দিনে সুসমৃদ্ধ করে তুলেছেন। তাই বাংলা কবিতা আসরের দুই প্রবীণ কবির শ্রী চরণকমলে উত্সর্গীকৃত আমার কবিতা।


কাব্য-সর্বশ্রী কবিসম্মান


               - লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী


এপার বাংলা                  ওপার বাংলায়
           বাংলা কবিতা আসর,
দুই বাংলার                  দুই কবি হেথা
           মিলিলেন পরস্পর।


এক কবি থাকেন           এপার বাংলায়
          কবি গোপালচন্দ্র নাম,
অন্য কবি থাকেন           ওপার বাংলায়
         মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান।


এক কবি যবে             কবিতা লিখেন
          অন্য কবি গাহে গান,
দুই কবির লেখা          অমর কাব্যে
          সমৃদ্ধ আসরের মান।


সামাজিক কবি            গোপাল চন্দ্র
          লিখেন সমাজ নিয়ে,
গীতিকার কবি           মনিরুজ্জামান
         লিখেন লেখনী দিয়ে।


দুই কবিবর             বয়সে প্রবীণ
         জ্ঞানী অতি বিজ্ঞবান,
দুই কবিরে             দানিলাম আজি
         কাব্য-সর্বশ্রী সম্মান।


কবি মূলচাঁদ           কবি সানারুল
         রাখিল যাঁদের মান,
কবি আমি ভাই        কবিতার পাতায়
        গাহি তাঁদেরই গান।


ছন্দকবি কাব্য উপহার
26.03.2018
বাংলা কবিতা আসরের নবাগত দুইকবি মূলচাঁদ মাহাত ও  সানারুল মোমিন তাঁদের স্বরচিত কবিতা ছন্দে ছন্দে নিয়মিতভাবে লিখে চলেছেন কবিতার আসরে। তাঁদের লেখায় ও কাব্যে আমাদের বাংলা কবিতার আসর একদিন সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে এই আশা রাখি।


দুই কবির লেখা কবিতা পাঠ করে আমি বিমুগ্ধ ও অভিভূত। তাই উভয়কবিকে উত্সাহ ও অনুপ্রেরণা দিতেই আমার কবিতা "ছন্দকবি কাব্য উপহার" দুইকবিকে উত্সর্গ করলাম।


ছন্দকবি কাব্য উপহার
              -লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী


ছন্দকবি মূলচাঁদ মাহাত
                   ও কবি সানারুল মোমিন,
দুই কবির কাব্য-গীতিতে
                    শুনি আমি সুরের বীন।


বঙ্গের দুই মহান কবির
                    কবিতা লেখার সাধ,
একজনের নিবাস পুরুলিয়া
                   অন্যজনের মুর্শিদাবাদ।


দুইকবি মিলে ছন্দে ছন্দে
                    লিখেন কবিতা কত,
কবিতা আসরে শুধু কবিতা
                    লিখে যান অবিরত।


তাঁদের লেখায় তাঁদের কাব্যে
                   সমৃদ্ধ কবিতার আসর,
কবিতা লেখায় কবিতার ধ্যানে
                  মগ্ন দোঁহে নিরন্তর।


দুইকবির লেখা কবিতায়
                   শুনি যে সুরের ঝংকার,
দুই কবিবরে দিলাম আজি
                  ছন্দকবি কাব্য উপহার।


কবি মূলচাঁদ কবি সানারুল
                  দোঁহে গাহিল যাদের গান,
অজয় কাব্যে তাঁদেরই ছন্দে
                 শুনি অজয়ের কলতান।


তাঁদের প্রেরণায় তাঁদের উত্সাহে
                 অজয়ের কবিতা লিখি,
ছন্দে ও ভাবে ডুব দিতে হবে
                 আমি তাঁদের কাছে শিখি।


গায়িকা কবি কাব্য উপহার
27.06.2018
-
বাংলা কবিতা আসরের স্বনামধন্যা কবি শ্রীমতী রীনা বিশ্বাস (হাসি) মহাশয়া দীর্ঘদিন ধরে আমাদের কবিতার আসরে আছেন। কবিতা আসরে তিনি বহু কবিতা উপহার দিয়েছেন। প্রিয়কবির লেখায় মুগ্ধ হয়ে আমরা সকলেই তাকে গায়িকাকবি কাব্য উপহার কবির করকমলে উত্সর্গ করলাম।


গায়িকা কবি কাব্য উপহার
                -লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী


কাব্য রত্ন সুধা তুমি বিদিতা জগতে,
লিখিলে কাব্য কত এই আসরেতে।
কবিতার আসরেতে করিলা প্রকাশ,
কবিতায় হেরি তব অনন্য প্রয়াস।


কাব্যে সরস্বতী তুমি হও বিদ্যাবতী,
পরমা প্রকৃতি তুমি, অতি বুদ্ধিমতী।
সর্বগুণ অধিকারী প্রিয়কবি তুমি,
লভিয়া তোমায় ধন্য এ ভারতভূমি।


কবিতা আসরে তুমি সুকণ্ঠী গায়িকা,
কাব্যসুধা সিন্ধু তুমি, কাব্য সাগরিকা।
গায়িকাকবি উপাধি দিলাম তোমায়,
জ্ঞানী গুণীজনে তব জয়গান গায়।


কাব্য সুধাকণ্ঠী তুমি জানে সর্বজন,
কবিতায় লিখে কবি শ্রীমান লক্ষ্মণ।


গায়ক কবি কাব্য উপহার
28.06.2018


বাংলা কবিতা আসরের স্বনামধন্য কবি শহিদ খাঁন দীর্ঘদিন ধরে আমাদের কবিতার আসরে আছেন। কবিতা আসরে তিনি বহু কবিতা উপহার দিয়েছেন। প্রিয়কবির লেখায় ও গানে বিমুগ্ধ হয়ে আমরা সকলেই তাকে গায়ক কবি কাব্য উপহার প্রিয় গায়ক-কবির করকমলে উত্সর্গ করলাম।


গায়ক কবি কাব্য উপহার
                 -লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী


গায়ক কবি               সুরকার শিল্পী
         কবি শহিদ খাঁন,
গায়ক কবিরে            কাব্য উপহার
         করিলাম প্রদান।


কবির জন্মস্থান           কলারোয়ায়
       সাত-ক্ষীরাতে জানি,
বর্তমান নিবাস          কেশবপুরে,
      যশোরে থাকেন তিনি।


সঙ্গীত শিল্পী             গায়ক কবি
       তিনি যে সুরকার,
করকমলে              দিলাম তুলে
      এ কাব্য উপহার।


সুকণ্ঠশিল্পী               গায়ক বন্ধু
        বাংলাদেশের কবি,
প্রিয়কবির              কবিতায় হেরি
        দুই বাংলার ছবি।


পদ্মা ও মেঘনা           মিলিয়াছে যেথা
        সেই নদীর মোহনায়,
দূরের কবি              গান গেয়ে যায়
        বসে শুনি নিরালায়।


বাংলার এই             কবিতা আসরের
        যত কবিগণ আজ,
সুরকার কবির          গাহে জয়গান
       এই আসরের মাঝ।


সুরের ঝংকারে         দূরের সাথী
        গেয়ে যাও তব গান,
গায়ক কবিরে         দিলাম আজিকে
       গায়ক কবির সম্মান।


কাব্য রত্নাকর কাব্য উপহার
29.06.2018


বাংলা কবিতা আসরের স্বনামধন্য কবি মহামহিম ডঃ সুজিতকুমার বিশ্বাস মহাশয়, যিনি একাধারে কবি, আলোচক ও বিশ্লেষক। তিনি দীর্ঘদিন ধরে আমাদের এই বাংলা কবিতার আসরে আছেন। কবিতা আসরে তিনি বহু কবিতা উপহার দিয়েছেন। প্রিয়কবির কাব্যে বিমুগ্ধ হয়ে আমরা সকলেই তাকে কাব্য রত্নাকর কাব্য উপহার প্রিয় কবির করকমলে
উত্সর্গ করলাম।
কাব্য রত্নাকর কাব্য উপহার
                 -লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী


আসরের কবি তুমি, সুজিত বিশ্বাস,
গ্রাম পায়রাডাঙা, নদীয়াতে নিবাস।
লিখিলে কবিতা শত কবিতা আসরে,
কাব্য পাঠে সবাকার চিত্ত ওঠে ভরে।


কাব্য রত্নাকর তুমি, হে কবি মহান!
কাব্য লিখে কবিদের রাখিলে সুনাম।
যেমতি সবারে তুমি দিলে যোগ্য মান,
তেমতি দানিব মোরা কবিরে সম্মান।


কাব্য রস সিন্ধু তুমি, তুমি বিচক্ষণ,
কাব্যে করিয়াছ জয় সবাকার মন।
কাব্য রত্নাকর তব কাব্য উপহার,
লহ কবি উপহার আমা সবাকার।


সবারে সম্মান যিনি করেন প্রদান,
সম্মানীয় তিনি অতি বিজ্ঞ প্রজ্ঞাবান।
করহ সবার কাব্যে ছন্দ-বিশ্লেষণ,
কহে কবি কবিতায় শ্রীমান লক্ষ্মণ।


কাব্য সুধাকর কাব্য উপহার
30.06.2018


বাংলা কবিতা আসরের স্বনামধন্য কবি সহিদুল হক মহাশয়, যিনি একাধারে কবি, আলোচক ও সনেট ছন্দ বিশ্লেষক। তিনি দীর্ঘদিন ধরে আমাদের এই বাংলা কবিতার আসরে আছেন। কবিতা আসরে তিনি বহু কবিতা উপহার দিয়েছেন। প্রিয়কবির কাব্যে বিমুগ্ধ হয়ে আমরা সকলেই তাকে কাব্য সুধাকর কাব্য উপহার প্রিয় কবির করকমলে উত্সর্গ করলাম।


কাব্য সুধাকর কাব্য উপহার
                 -লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী


আসরের কবি তুমি, সহিদুল হক,
স্কুলজীবন থেকেই লেখালেখি শখ।
কত যে কবিতা তুমি দিলে উপহার,
লহ কবি নমস্কার, আমা সবাকার।


কবির আবাসভূমি, জানি মিরহাটি
চব্বিশ পরগনায় করেন বসতি।
কাব্য সুধাকর কবি, অতি জ্ঞানবান,
সুধা সম কাব্য তব, অমৃত সমান।


কাব্য রত্ন সুধা বিভু জগত মাঝারে,
ভূষিত করিব তোমা যোগ্য উপহারে।
কাব্য রত্ন সুধাকর করিনু প্রদান,
কাব্য সুধাকর তুমি, হে কবি মহান।


প্রিয় কবি সবাকার, অতি বিচক্ষণ,
কবিতায় লিখে কবি শ্রীমান লক্ষ্মণ।


জ্ঞান প্রদীপ কাব্য উপহার
01.07.2018


বাংলা কবিতা আসরের স্বনামধন্য কবি ডাঃ প্রদীপ কুমার রায় মহাশয়, যিনি দীর্ঘদিন ধরে আমাদের এই বাংলা কবিতার আসরে আছেন। কবিতা আসরে তিনি এই আসরে বহু কবিতা উপহার দিয়েছেন। প্রিয়কবির কাব্যে বিমুগ্ধ হয়ে আমরা সকলেই তাকে জ্ঞান প্রদীপ কাব্য উপহার প্রিয় কবির করকমলে উত্সর্গ করলাম।
              
জ্ঞান প্রদীপ কাব্য উপহার
                         -লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী


জ্ঞানের আলোক তুমি, কবিতা আসরে,
দিলে কাব্য উপহার সবাকার তরে।
জ্ঞানের প্রদীপ কবি প্রদীপ কুমার,
জ্ঞান দীপ যোগ্য  তব কাব্য উপহার।


কত যে কবিতা তুমি লিখিলে হে কবি!
তব কবিতায় হেরি  জগতের ছবি।
জ্ঞানের প্রদীপ শিখা, হে কবি মহান!
জ্ঞান দীপ কাব্য রত্ন করিনু প্রদান।


আসরের কবি যত সবে সমস্বরে
প্রণতি জানায় তব জয়গান করে।
হে কবিশেখর তুমি অতি বিচক্ষণ,
কবি প্রদীপ কুমার বলে সর্বজন।


জ্ঞান প্রদীপ উপাধি দিলাম তোমায়.
লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী লিখে তার কবিতায়।


আজ পর্যন্ত কবিগণের প্রাপ্ত সম্মাননা সমূহ নিম্নে প্রদত্ত হল।          
1.   কাব্য সম্রাট কাব্য উপহার
13.01.2018 তারিখে প্রদান করা হয়েছে
কবি সঞ্জয় কর্মকার মহাশয়কে।


2.   কবিতা সম্রাজ্ঞী কাব্য উপহার
16.01.2018 তারিখে প্রদান করা হয়েছে
কবি পারমিতা (অনুরাধা) মহাশয়াকে।


3. কাব্যশ্রী কবিসম্মান
17.01.2018 তারিখে প্রদান করা হয়েছে
1. কবি সুমিত্র দত্তরায় ও 2. কবি খলিলুর রহমান মহাশয়কে।


4. কাব্য প্রভাকর কবিসম্মান
21.01.2018 তারিখে প্রদান করা হয়েছে
কবি কবির হুমায়ুন মহাশয়কে।


5. ছন্দ যাদুকর-কবি সম্মান
27.1.2018 তারিখে প্রদান করা হয়েছে
কবি অজিত কুমার কর মহাশয়কে।


6. কাব্য-সর্বশ্রী কবিসম্মান
23.02.2018 তারিখে প্রদান করা হয়েছে
1. কবি গোপাল চন্দ্র সরকার ও 2. কবি মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান মহাশয়কে।


7. ছন্দকবি কাব্য উপহার
26.03.2018 তারিখে প্রদান করা হয়েছে
1. কবি মূলচাঁদ মাহাত ও 2. সানারুল মোমিন মহাশয়কে।


8. গায়িকা কবি কাব্য উপহার
27.06.2018 তারিখে প্রদান করা হয়েছে
কবি রীনা বিশ্বাস (হাসি) মহাশয়াকে।



9. গায়ক কবি কাব্য উপহার
28.06.2018 তারিখে প্রদান করা হয়েছে
কবি শহিদ খাঁন মহাশয়কে।


10. কাব্য রত্নাকর কাব্য উপহার
29.06.2018 তারিখে প্রদান করা হয়েছে
কবি ডঃ সুজিত কুমার বিশ্বাস মহাশয়কে।


11. কাব্য সুধাকর কাব্য উপহার
30.06.2018 তারিখে প্রদান করা হয়েছে
কবি সহিদুল হক মহাশয়কে।


12. জ্ঞান প্রদীপ কাব্য উপহার
01.07.2018 তারিখে প্রদান করা হয়েছে
কবি ডাঃ প্রদীপ কুমার রায় মহাশয়কে।