ওনারা সব দেব্ তা ঠাকুর, পারেন অনেক কিছু
আমি অসুর, কেউ পোঁছে না, আমার মাথা নিচু।
ওনারা সব আছেন সুখে, মুখে মিষ্টি হাসি
বুকে আমার ত্রিশূল গোঁজা, জীবন ফাটা কাঁসি।
ঠায় দাঁড়িয়ে থাকতে হবে মায়ের পায়ের নিচে
কাটে কাটুক মশা-মাছি, সাপে কিংবা বিছে।
লোভ দেখিয়ে মানুষগুলো বানায় মদের পেগ
যায় না যাওয়া বাথরুমেও, যখন আসে বেগ।
গনশা-কেতো-লক্ষ্মী-সুরো সবাই সমান বিচ্ছু
মনে ওদের মায়া দয়া একদম নেই কিচ্ছু।
চুপিসারে হঠাৎ যদি একটু খৈনি ডলি
বিচ্ছুগুলো চোখ রাঙাবে, " এবার মা কে বলি?"
কিংবা যদি সুযোগ বুঝে গাঁজাতে দিই টান
ওমনি মা কে দেয় জানিয়ে, ওই চার শয়তান!
সেদিন রাতে সুযোগ পেয়ে টেনেছিলাম গাঁজা
ওরা মা কে বলে দিতেই মাও দিলেন সাজা।
যখন তখন ত্রিশূল খোঁচা সহ্যকরা দায়
মনটা আমার তাইতো শুধু পালিয়ে যেতে চায়...
পালিয়ে যাব বার্মা মুলুক, পানামা-কুয়েত-চীন
মুখপোড়া এই বঙ্গদেশে ফিরব কোনও দিন?
তখন যতই কাঁদোকাটো, 'অসুর অসুর' করে
আমি বলবো, " অসুর কোথায়? অসুর গেছে মরে।"
অসুর বিনা করবে খাঁ-খাঁ  মণ্ডপ আর প্যান্ডেল
বন্ধ হবে দুর্গাপুজো, বালি টু ব্যান্ডেল।
সেই সুযোগে ফরেন গিয়ে পালটে নেব নেম
জমবে অনেক ফরেন ডলার, বিয়ে করব মেম!



*************************