পাশের ঘর থেকে ছুটে এসেছি রিং-টোন বাজছে
শুনে।আঁতকে উঠেছি যেই শুনেছি তোমার কম্পিত
গলা টেলিফোনে।
বলেছ,সংবাদ শিরোনামে যে খবর ক’দিন যাবত
যোগাচ্ছে ভয়।বিশ্বজুড়ে কালসাপের মতো ঘাতক
করোনা ভাইরাসের ব্যাপ্তিতে মানুষের মনে জাগছে
সংশয়।পথে কেহ বের হচ্ছে না সেই ভয়ে।শিকল
টেনে বদ্ধ ঘরে থাকাই সকলে শ্রেয় মনে করে।
এ যেন বন্য শৃগালের ভয়ে মোরগ মুরগীদের দশা।
উঁহু,প্রাণান্তকর এক দুর্দশা।
বললে,‘নিয়তি’ শব্দটা ঘুরপাক খাচ্ছে মানুষের মুখে
মুখে।কাকে কখন জাপটে ধরবে এই ভয়ে।দেখো,কী
তার সম্মোহনী ক্ষমতা।বিশ্ব জুড়ে কত না সে ভয়
ভীতি ছড়াতে পারে !
দেখো,কারো সাধ্য নেই মৃত্যুকে পরিহার করে।তবুও
প্রাণের উদ্ভব থেকে তাকে পরিহারের কত না প্রচেষ্টা
চলে।বুঝেছি,শব্দাতঙ্কে দুশ্চিন্তার কালো মেঘের ঘনঘটা
জুটছে কপালে।নখর জানোয়ারের মতো ব্যাপক আঁচড়
কেটেছে সে লোকালয়ে।
তোমাকে জানিয়ে রাখি,একটি বার্তা এসেছে প্রভাতে
সূর্য থেকে।বার্তাবহ জানালো ভয় নেই আর আঁতকে
ওঠার মতো।
রবিরশ্মি ধেয়ে আসছে ফণা তুলে।প্রখর রোদে বিশ্বের
উষ্ণতা বাড়লে সর্বত্র হবেই করোনা মুক্ত।এই ভাইরাস
নিধনে সে নাকি ব্রক্ষ্মাস্ত্র।  
বলি,সুস্বাস্থ্যের নিয়ম বিধি মেনে চলো চিকিৎসকের
সৎপরামর্শে।এই ক’টা দিন একটু সাবধানে থাকো।