ভার্জিন পিতার ঔরশজাত দুই দাদা
ফ্রাঙ্ক ও এংলো- অগ্রে-পশ্চাতে যথা
ফ্রাঙ্ক যখন যায় হাগু করতে, এংলো
তখন বদনাটিসু হাতে ছুটে পিছু পিছু
এংলো যখন যায় বাসরঘরে, ফ্রাঙ্ক
তখন হেসে বলে,'তিনজনে হয়ে যাক।'
এমনি অম্ল ও তিক্ত দু'ভাইয়ের সম্পর্ক
যেন দীর্ঘ দাম্পত্য শেষে এখন বার্ধক্য !
কিন্তু তাতে ভার্জিন পিতার বারণ।তাই
মুখে মুখে বলা না গেলেও গোপনে ঠাঁই
ঠিকই আছে। অযথা বক-স্বাধীনতা ও
বেগতির ভয় করা কেন? সুবিধামতো
বেড়াল ও শকুন পোষা আছে বলে।