আমার বাড়ির পথের শেষে
              স্রোতস্বিনীর কূল টি ঘেসে,
সবুজ কানন ছরিয়ে আছে
                   চেয়ে আছি অনিমেষে।
যা দেখেছি বলবো সবই
               কিছুই আমি যাইনি ভুলে,
রাখবোনা আর বাকি কিছু
                ধরবো আমি সবই তুলে।


হরেক রকম পুষ্প আছে
              সবুজ শ‍্যামল বাগান ঘিরে,
প্রজাপতি মহাসুখে
                 ফুলে ফুলে যাচ্ছে উড়ে।
মৃদু হাওয়ায় মন ভেসে যায়
            গাছের শাখা দোলছে তাতে,
কৃষ্ণচূড়া ফুলের পাপরি
             পরলো এসে আমার হাতে।


সেজেছে সে রক্তিম রূপে
                 আসা নিয়ে আপন মনে,
থেকছিলো ফুলের সাথে
                মন মাতানো সবুজ বনে।
এখন বুঝি মুক্তি পেলো
               সকল কিছুর বাঁধন থেকে,
এমন আসা কতো দিবস
               বুকের মাঝে গেছে একে।


স্রোতস্বিনীর রূপ দেখেছো
            ধরছে না তার বড়াই যেনো?
মোদের সাথে তাহার এতো
                   শুধু শুধু বড়াই কেনো?
ডুবিয়ে দেয় পালের তরী
                  ভেঙে ফেলে গৃহ বাড়ি,
তাইতো তাহার নাম দিয়েছি
                  বর্ষা ঋতুর বড়াইকারী।


ফিঙেপাখি সবাই চিনে
                  একা একা বসে থাকে,
একটু একটু থেকে থেকে
                শুধুই দেখি প্রলাপ বকে।
লিখবোনা আর কোনো কিছু
                লিখলে কাব‍্য বরই হবে,
আমার পোষা বুলবুলিটি
                তাতে অনেক কষ্ট পাবে।