কিশোর কালে কুপি জ্বেলে মনের দরজা খুলে
আয় আয় বাবু চুপে আয় ডাকতি নিশিকালে,
গোলাপ ঠোটের মায়া মুখে হাসি দেখতে পেলে
সেই হাসির কারণ আমি বুঝতাম প্রেমের দিলে।


মনের ঘরে চুপটি করে খেলতাম একি তালে
সুখের সুরে হাসতাম দোজন দুঃখ যাইতাম ভূলে,
ভালবাসা দিলাম সখী যেমন চেয়েছিলে
সারাজীবন থাকবি পাশে কথা দিয়েছিলে।


বড় ঘরের বধূ হইলি গুমটার আঁচলে
আমার তেলে নাও চালায়া আমায়ই ফেললি জলে,
জীবন যৌবন সইপা দিলাম বিয়া করবি বলে
দামী বরের বধূ হইলি, কেন দুঃখ দিলে।


মনের দরজা খিলি দিলি বড় হযে গেলে!
কিশোর কালের খেলনা আমায় ছুড়ে ফেলে দিলে,
মনের জ্বালা মনে জ্বলে প্রেমেরি অনলে
এতবছর প্রেম করিয়া চালায়লি আমারে-


বাড়ীর পাশে ছিলাম বলে মানুষ কি আর নই রে!
তুই বন্ধু কেমন মানুষ চিনছি আমি তুরে,
তুর মনে মায়া দয়া মানবতা নাই রে
কেনই তুই প্রেম শিখালি যাইবি যদি চলে।


বড় ঘরের বধূ হইলি গুমটার আচলে
আমার তেলে নাও চালায়া আমায়ই ফেললি জলে,
জীবন যৌবন সইপা দিলাম বিয়া করবি বলে
দামী বরের বধূ হইলি, কেন দুঃখ দিলে!