লাগাও কালি, মুখে কালি লাগাও
কাপড়ে লাগাও, বাহনে লাগাও
লাগাও কালি,তোমাদের ইচ্ছেযত!
আর কিছুই বলার নেই আমার, এই ভুক্ত জনতার।
আমার ভাই ক্ষত-বিক্ষত দেহ নিয়ে
পঙ্গুত্বের অভিশাপ নিয়ে;
হুইল চেয়ারে বসে আছে গাড়িতে!
সে হাটতে চায়, কৃত্রিম পা চায়।
এমন-ই এক মাতাল আন্দোলনে
লোহার আঘাতে তার পা পঁচেছে, সে আজ বিষন্ন।
কৃত্রিম পা লাগাতে তাকে শুধূ যেতে দাও
হাসপাতালে যেতে দাও-
লাগাও কালি, কালি লাগাও তবু আমায় যেতে দাও।


তোমরা পার, খুব পার!
মাতাল হ’য়ে হ য ব র ল আন্দোলন করতে
তোমরা পার জড়ো হ’য়ে নগর পথ রুদ্ধ করতে,
তোমাকে ভোগাতে, তোমার বাবাকে, মা’কে ভোগাতে
তোমাদের ভাই-বোন, বন্ধু-পরিজনকে ভোগাতে।
তোমরা পারো-না সেই অপশক্তিকে ভাঙ্গতে?
পারো-না তোমরা মূল হোতাকে আনতে!
তোমরা লাল-বাতি সবুজ পাতাতে ঢেকে যাওয়া
সবুজ আবরণের ঝাপসা সবুজ আলোটা দেখ,
তোমরা মাতাল হয়ে ছুটে বেড়াও
তোমরা বাক-বিদন্ধে ঝটকা লাগাও
লাল বাতির ল্যাম্পোষ্টে সবুজ বাতি খোজ না।


লাগাও কালি, পেট্রোল কালি
কালি মাখায় আমরা কলংকিত হবোনা,
তোমরা মাতাল হয়ে, ছলে বলে
আসল সমাধান না জেনে, ভোগান্তির আন্দোলনে
জাতীয় জীবনকে কর হেনস্ত,
দিন দিন মাতলামি আচরণে
জাতিকে করছ কলংকিত।


আমরা সভ্যতা চায়, মানবতা চায়
মাতলামির ডোরে বাঁধা মাতালদেয় চাইনা
সভ্যতার মুখোশে- অসভ্যদের মদদ চাইনা
আমরা শান্তিপ্রিয়, স্বাধীনতায়, স্ব-অধিকারে
সকলেই আমরা সকলের তরে
মানবিক, হার্দিক উন্নত জাতি চায়!
মাতাল জাতি চাইনা আমরা
মাতালামিতে জীবন হারায়, জাতি তার স্বত্ব হারায়।