হে সুহাসিনী তুমি মোর চিরচেনা সুহৃদ,
সর্বশুচি মাখা রক্তিম সন্ধ্যায়।
অরুন আলো ধরনীর বুকে,
ছড়ালো বেশ হর্ষরুপে।
সুহাসিনীর চঞ্চল উৎফুল্লতা,
জাগলো তবে তরু-গহনে।
গগনের নীল সাজলো তবে নবরুপে,
জলে-থলে উঠলো কল্লোল,
সুহাসিনীর প্রেমে উদাস কবি হলো পাগল।
সুহাসিনী মৃদু হেসে বললো আমায় করুন সুরে,
জ্যোৎস্নাময়ী রজনীতে প্রকৃতির মায়ার টানে,
কেউ আমাকে ডাকলো তবে।
হস্তে তাহার বেলী ফুল,
খোঁপায় আমার বাঁধবে বলে।
দাঁড়িযে আছে বড্ড স্পৃহা নিয়ে।
পুলকিত যেন অন্তরীক্ষ,
বৃক্ষে বৃক্ষে বিহঙ্গের কুহুতান।
সুহাসিনী বললো আবার কিঞ্চিৎ হেসে,
চিত্ত আমার দোলনচাঁপা,
স্বপ্নবৎ দোলে সর্বক্ষনে।
রুপ উপমার মোহনাতে,
ভ্রমর ঘুরে ক্ষনে ক্ষনে।
যৌবনের এই মাদকতা,
সুবাসে সুবাসে সিক্ত প্রভাতে।
আলোর কিরণ লাগে গাত্রে।
ওহে মোর উদাস কবি,
সময় ফুরাবে,সন্ধ্যা হবে।
স্মৃতির পটে প্রেম আঁকা হবে,
আকুল পরানে,প্রেমের দোল।
চুপিসারে আসবে তুমি,
বসবে মোর শিয়রপানে।
কপালকোনে চুম্বন এঁটে,
বলবে তুমি হেসে হেসে।
ভালোবাসি মোর সুহাসিনীকে।