কোথায় আছো ফুফু তুমি- কেমন আছো এখন?
ফোন দিয়ে আর কেউ বলবে না বাবা আছো কেমন?
তোমার কাছে গেলে ফুফু খাওয়াতে হাতে তুলে।
তোমার অমন মায়ার ভাতিজাকে কেমনে আছো ভুলে?
কাছে বসিয়ে আদর করে হাত বুলাতে চুলে!
মনে করতেই বুক ফেটে যায় দেখনা হ্নদয় খুলে!
বাড়ি তোমার গেলে বলতে,আমার বাবা এসেছে ঘরে
বাবা আমার আসলে পরে বুকখানা আনন্দে ভরে?
আজ শূন্য বুকে কেমন করে আছো ওই অন্ধকার কবরে?
মায়ের থেকেও বেশী আদর পেয়েছি তোমার কাছে!
এত মায়া ভালবাসা কারকাছে বলো আছে?
তোমার মায়াভরা মুখখানা ফুফু শুধুই মনে পড়ে।
কেমন করে ঢুকবো ফুফু তোমার শূন্য ঘরে।
হ্নদয় আমার দুমরে মুচরে গেছে কাল বৈশাখী ঝড়ে।
আজ আমি নিঃস্ব বড় অসহায় ফুফু তোমাকে হারানোর পরে।
ভুমি হিনা আজ আমি ভাবতে কান্না আসে অঝোরে।
এই যে বড় দুঃখ বেদনার বিধাতার করুন খেলা।
মায়াগুলো যেন এক কাগজের তৈরি ভেলা
পৃথিবীটা যেন মায়া বিক্রির দুই দিনের মেলা।
হে পরম করুনাময়, অসীম দয়াময়
আমার ফুফুর তোমার পরীক্ষায় করো জয়,
মন থেকে তার দূর করে দাও কবরে আযাবের ভয়।
দোয়া করি তাকে দিও জান্নাতের ছায়া,
তুমি না দিলে কে দিবে বলো তোমার যে অসীম দয়া।