ছেলেটা মেধাবী ছিল ,
গ্রামের ছোট্ট স্কুল পেরিয়ে এখন অনেক বড় মানুষ সে ,
এখন বিদেশেই থাকে , একাবারে ঝকেঝকে তকতকে –
বছরে হয়তো বা একবার সে  গ্রামে আসে ,নয়তো বা নয় ।
এখন তো সেই সস্তা মাটির রাস্তা ,জমা জল ,
বছর বদলালেও বদলায় না কোন কিছু –
এ যেন নিত্য সত্য ঘটনা।
বড় গাড়ীটার থেকে সে  পা রাখল জখন নোংরা ধুলো রাস্তার ওপর –
তখন লজুক বউটি ভিড়ের মধ্যে আরো একাবার ঘোমটা টা টেনে নিল বড় করে –
ছেড়া প্যান্টটা লাল ঘুমসিতে আটকে নিল বছর দশেকের ছেলেটা ,
মা তো রোজ এর গল্পই বলে –
সব্বার শেষ প্রস্তুতি নেওয়া শেষ , শুধু তাকে দেখবে বলে –
ছেলেটা মেধাবী ছিল ,
চকচকে কালো বুট , গায়ে দামী জ্যাকেট , হাতে দামী ঘড়ি পরা ছেলেটা
নাকে রুমাল চাপা দিয়ে বলে উঠল এতো পলিউশন এখনে ।
ছেলেটার চারিদিকে জুড়ে ঘিরে আছে ধুলো মাখা হত দরিদ্র গ্রাম্য জন জীবন –
একদিন ওই ছেলেটাই খালি পায়ে  দৌড়দিত ,নোংরা পুকুরেরজলে ঝাঁপ দিত ,
ছেলেটা মেধাবী ছিল ,বদলেছে জীবন তার ,
তবু সেই গ্রামটা তার একই থেকে গেছে ,
বদল হয়নি কিছু তার ।