নেই মা’বূদ আল্লাহ ছাড়া, জপ সেই ‘আল্লা’ নাম অন্তরে
আসমান-জমিন, গ্রহ-নক্ষত্র, কূল-কায়েনাত যিনি সৃজিলে
তিনি এক আল্লাহ, অদ্বিতীয়, নেই কেহ তাঁর সমকক্ষ
সীমাহীন ক্ষমতা দিয়ে চালান তামাম বিশ্ব, তিনি সর্বজ্ঞ
যিনি দেননি জন্ম কারো, তাকেও দেয়নি জন্ম কেহ
তিনি ছিলেন, আছেন, থাকবেন, অনন্ত-অসীম কাল ধরে
যে কুল-মাখলুক এক ইশারায় সৃষ্টি, শেষও হবে তা নিমেষে
শুধু রবেন তিনি, করে সব ধ্বংস, কঠিন সেই কেয়ামতে ।


জগৎ সৃষ্টির পূর্বে তিনি, সকল আত্মাদের এক করে
জিজ্ঞাইলেন কি ‘রব’ নই তোমাদের? নিশ্চয় ‘রব’ উত্তরে সকলে
অথচ দুনিয়ায় এসে বেমালুম ভুলে, সেদিনের সেই ওয়াদা
মনগড়া সব নিয়ম নীতি নিয়ে, ব্যস্ত আছি সদা সর্বদা
করিনা তাঁর স্মরণ-পালন, দেখেও দুনিয়ার বালা-মুসিবত
পাষণ্ড হৃদয় ভেঙ্গে চুরমার, কেবল দুনিয়াদারিতে গেল সব
যত খেয়ালিপনায় দিন চলে যায়, এভাবে যাবে একদিন জীবন
শুধু কি আসা যাওয়া, ভোগ-বিলাস আর সাজাতে জীবন রঙ্গিন ।


কি হবে জানিনা, ভয়াবহ হাশরে, চুলচেরা সব বিশ্লেষনে
‘কাহহার’ রূপে থাকবেন আল্লাহ, নেই রক্ষা করো সেই দিনে
সকলের মুখে রবে ‘ইয়ানাফসি’ ধ্বনি, না চিনিবে আপন-পর
সেই কঠিন দিনেতে তরাবেন যিনি, তিনি শ্রেষ্ঠ পয়গম্বর
পয়গম্বরের অসিলায় সেদিন, পাইবে মুক্তি অগণিত পাপী
ভাগ্যবান তো ওই মুসলিমেরা, যারা হয়েছে খাঁটি সুন্নী ।  


আল্লাহ তোমার অনেক দয়া, শুকরিয়া তোমার দরবারে
সেরা মাখলুক মানুষ রূপে, ধরায় আনিলে মুসলিম ঘরে
শ্রেষ্ঠ নবীর উম্মত করে, এর চেয়ে ভাগ্য আর কি আছে
‘আল্লাহ’ ‘আল্লাহ’ বলো সবে, আল্লাহ ছাড়া সবি মিছে  ।।