পৃথিবীর ললাটে কলঙ্কতিলক কারবালার বিষাদময় দিন
শোকের ছায়া আসমান-জমিনে, বাজলো ব্যাথার বীণ,
নবী দৌহিত্রের মর্মান্তিক শাহাদাতে বিগলিত মানব হৃদয়
দ্বীনের তরে এহেন আত্মত্যাগ ধরণীতে আজো বিস্ময়!
স্বেচ্চাচারীর বিরুদ্ধে ঈমানী চেতনায় উজ্জীবিত মনোবল
ফোরাতের তীর ধরে সেই স্রোত আজো বহমান প্রবল!
চারিদিকে এত পানি তবু পিপাসায় কাতর হুসাইনি দল
পানির তরে কেঁদে কেঁদে শুকিয়েছে শিশুর চোখের জল।
মানবতার আর্তনাদে ভারি বাতাস তবু ভাঙ্গেনি মনোবল
প্রতীক্ষিত ওরা শহীদি শূরা পানে হবে চির তরুণ-সবল।
ইসলামকে বিলীন করার উমাইয়া ষড়যন্ত্র দিয়েছিল রুখে
আকাশ-বাতাস আর এই প্রকৃতি মুহ্যমান হয়েছিল শোকে,
ওরে এজিদ ভেবেছিলি কারবালায় তোর হয়েছে মহা জয়
দেখ চেয়ে তবে আজ হুসাইনি কাফেলার নেই কোন ক্ষয়।
এজিদি প্রেতাত্মারা থাকবে কিয়ামত অবদি এই ধরার তলে
মুসলিম সেজে ইসলামের বিরুদ্ধে করবে চক্রান্ত ছলে-বলে,
সেদিনও তারা শুনেছিল আজান পড়েছিল নামাজ কারবালায়
তবুও চালালো ছুরি শহীদকুল সম্রাট ইমাম হুসাইনের গলায়।
সত্যের দেদীপ্যমান শিখা আজো জ্বলে হুসাইনি রক্তের বদলে
তাইতো ইসলামকে ভালোবাসতে হবে আহলে বাইতের আদলে।
কারবালার ঐ মাটি যখন হয়েছিল হুসাইনি রক্তে লালে লাল
দ্বীপ্তিময় উজ্জ্বল হয়ে উঠলো আবার দ্বীন-ইসলামের মশাল।
##