এক নক্ষত্রজাগা রাতে,
চাঁদও ছিলো সাথে,
ওই আকাশ থেকে কেউ ডাকলো আমায়, 'কাছে আসো,
দেখি তো কেমন করে তুমি ভালোবাসো
ফুলপাখি; দেখাবে আমাকে?'
আমি তো অবাক তার ডাকে!
ওপরে তাকিয়ে দেখি,
একি!
নীলপরী এক ডানা মেলে
সাদা সাদা মেঘ ঠেলে
আসছে নেমে আমার দিকে চেয়ে এই পৃথিবীতে;
বুঝি আমাকেই নিতে!
বিপুল বিস্ময়ে আবিষ্ট আমি পুলকিত মনে
পুষ্প কাননে
গিয়ে স্থির হয়ে বসি। চারদিকে মৌ মৌ ফুলের সুবাসে।


নীলপরী বসে এসে, ঠিক, আমারি পাশে
হাতে হাত আর চোখে চোখ রেখে।
তাকে দেখে
জোনাক মেয়েরা এলো। টুনটুনি পাখি এসে বসে গোলাপের ডালে,
পাতার আড়ালে।
এলো প্রজাপতি। গুনগুন গান গেয়ে আসলো ভ্রমর।


অতঃপর
নীলপরীকে ডেকে আমি বলি, 'এই মেয়ে,
দেখো চেয়ে,
সবাই এসেছে এই রাত্রির অনাবিল পরিবেশে।
তুমি থাকো দূরদেশে;
তারা চিনে না তোমাকে।
তবুও তোমারই ডাকে
সাড়া দিয়ে এলো পুলকিত মনে,
এই ফুলবনে।
সবাই এমন হাসিখুশি, মিলেমিশে থাকে;
একে অন্যকে ভালোবাসে, দেখে রাখে।
এই পৃথিবীর এমনি প্রকৃতি;
সবার মনেই আছে প্রেম, আছে প্রীতি।
আমিও এদের মাঝেই থাকি, সবাইকে নিয়ে;
ভালোবাসা পেয়ে, ভালোবাসা দিয়ে।'


রচনাকাল: ঢাকা, ৭ অক্টোবর ২০১৯