আমি আবার জেগে উঠতে চাই
দৌলোদিয়ার শেরিনের চোখে
ট্রেনের ঝক্ ঝক্ শব্দে উত্তেজনায়
শত-শত বার জেগে উঠে চাই।


নরকের পথে যাত্রা দিয়ে, নিষ্পাপ রমণীর গাঁয়ে,  
যেতে-যেতে কতবার হারিয়ে গেছি শেরিনের চোখে।
আমি সুখ খুঁজতে শত রমণীর ঘরে কড়া নেড়েছি,
নিজের জন্য, শরীরের জন্য, দোয়ারে-দোয়ারে।


যারা নরকের সপ্তমে, শরীর জ্বেলে-জ্বেলে
অন্যের পাপ নিজের শরীরে নিয়ে, আগুনে জ্বালে ।
আমি তাঁহাদের শরীরে আগুন জ্বেলেছি-আনন্দে
তাঁহাদের শরীরে খুঁজে পাওয়া শেরিনের শরীর অন্ধে


কত বছর পর আবার শেরিনের খোঁজে
সেই পুরনো ট্রেনের ছোট্ট ক্যাবিনে ছেপে।
দু'ধারে সবুজ, সবুজ রমণীরা দাঁড়িয়ে আছে
শীতল বাতাস গায়ে দিয়ে, পুরনো দিনের মত।  


ভুল ছিলো কতশত ভুল, সেই পুরনো দিনে
শেরিনের সাথে মিশে যাওয়া অবুঝ-বুজে।
ক্ষত গর্তে জ্বালা দিয়ে-দিয়ে সুখ খুঁজেছি,
অন্ধ চোখে; বোবা চিৎকার শুনিনি, অবুঝ-বুঝ।


কত খুঁজেছি, দেখা মিলেনি পুরনো ছুট্ট ঘরে
হয়তো বা শেরিন হারিয়ে গেছে লক্ষ শেরিনের মাঝে
শেরিনের ঘরে নতুন শেরিন নরকের- নরে নাড়ে  
কত বছর কেটে যায় শেরিনের খোঁজে খোঁজে।  


কাল্পনিক হলেও সত্য । কাল্পনিক শেরিনের মত হাজার-হাজার শেরিনের জীবনে নেমে আসে নরক পতিতার দৌলোদিয়া । এই কাব্যটি আমার কাল্পনিক, কিন্তু গঠনা সত্য চরম বাস্তব । (কাল্পনিক শেরিন- বাস্তব পতিতা)