“মেরিনকাব্য ৭”


বিকেলে বেইলী রোড, শাড়ী কিনে শান্তিবাগ;
উপহার এক নতুন বধুর জন্য;
বিস্কুট নিয়েছোতো মেরিন? সন্ধ্যার চা, জম্পেশ আড্ডা,
আনন্দে ঘুরে বেড়াচ্ছো শহর, এতটুকু কষ্ট নেই কারো জন্য;


আর আমি,_ সকাল গড়িয়ে দুপুর,_ দুপুর গড়িয়ে বিকেল,
তারপর সন্ধ্যা!,_ সেই সন্ধ্যা, বুঝেছো?
ভাবছি শব্দের পর শব্দ, স্তবকের পর স্তবক গড়ছি, ভেঙ্গে চলছি!
কবিতা গড়ার কারিগর হাতুড় ঠুকছে বুকে;
তোমার জন্য; তোমার নিখুঁত নির্মাণ যেন হয় আমার কবিতায়;


প্রেমে নারীদের কোনো কষ্ট নেই!
সব কষ্ট পুরুষের, তার চেয়েও অনেক বেশী কবিদের;
মেরিন, তোমরা এত নিঠুর হও কেনো?


(সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৬)


----------------------------------------------------------


“মেরিনকাব্য ৮”  


ওই বোকা, শুধু তোমাকেই ছেড়ে গেলো না;
যাবার বেলায় আবার, দিয়ে গেলো ড্রপবিট;


এরপর গত হলো কিছুদিন;
প্রান্তরের কারো কারো উৎসাহে
ধনবানেরা এলেন পূর্ব এবং পশ্চিম হতে;
সাথে এলো পরিচিত একজনের ভাগ্নে;
সবাই বিদ্যাসাগর রূপবতী কন্যার পানি-প্রার্থি!
আঙ্গুল তুল্লে তুমি, দেখুন মিস জান্নাত...,
                            ত্রস্তপায়ে সরে গেলো তারা;


এরপর আরো কিছুদিন, তারপর হঠাৎ একদিন
তোমার চোখের জল ডোবালো আমায় দুঃখ-নীলে;
সেই নীলে আঁকা কবিতায় ভেঙ্গে দিলাম তোমার অবরোধ;


ভাবি এখন, কি সৌভাগ্য আমার কবিতাদের!  
তোমার শাড়ির ভাঁজে পরম ওমে
              ঘুমায় আমার কবিতারা আজ;
অচিনপুরের অলিকসুতোয় তৈরী সে-সব শাড়ি,
স্বর্গ তাঁতে বোনা,_ আসমানী আর জামদানী।


(সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৬)


-------------------------------------------------------------


“মেরিনকাব্য ৯”  


তোমার হৃদয়ের লয় এখন মাঝে মাঝে কেটে যায়;
জানার পরেই, দিন কাটছে শঙ্কায়;
প্রথম চুম্বনের আগে অথবা ভালোবাসা,
যদি তুমি আমার কোলে মাথা রেখে বলো,
‘হে প্রিয় বিদায়’,_ কে এনে দেবে হেমলক?


কেটে দিয়ে 'রোমিও-জুলিয়েট' দ্ব্যর্থহীন,
মহান শেক্সপিয়ার লিখবেন ‘মার্শাল এন্ড মেরিন’।


(সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৬)