ধরুন একটা রম্য রচনা লিখবো। মন প্রাণ সে খুশিতে ভিজিয়ে নিতে হবে। জ্যোলুস জ্যোতি বের হবে দু চোখে। হাসতে হাসতে লিখতে হবে সে কাব্য। আমি সবসময় বলে থাকি প্রথম লাইনটা দিশা ঠিক রেখে যা ইচ্ছে লিখুন। তারপর ভাবতে ভাবতে এগিয়ে নিয়ে চলুন সে লেখা। দিশা অবশ্যই পেয়ে যাবেন। একাগ্র মন ডুবে যাবে ভাবে সে লেখবার সময়। অন্তমিলেও লিখতে পারেন আবার অন্ত মিল ছাড়াও তবে আবেগ যেন ছুটে না যায়। যেমন একটা উদাহরণ দেই। আমি কারুর লেখা পাঠ করবার পর ভুলে যাই কার লেখা আমি পাঠ করলাম অথচ তার নাম দেখেই লেখাটি খুলেছিলাম। ভাবছি একটা রম্য রচনা লিখে দেখাই। প্রথম লাইনটা যা খুশি লিখব। যেমনঃ-
হ তে হসন্ত-বোঝে নাই বসন্ত। এবার এগিয়ে নিয়ে চলবো সে লেখা।


হ তে হসন্ত-বোঝে নাই বসন্ত
নব দিশা ঝড় তোলে রূপ আজি
অন্ত।
হরি কী ও বুঝেছিল কাল সে তো ঘুরবেই
হা থেকে হাহাকারে ধপ করে
পরবেই।
ধ দিয়ে শুরু প্রাণ মানে সে তো ধবলা
সোনার ওই চামুচেতে, শুরু তার
পথ চলা।
চাল সে তো চালাকির ই করেছিল বাজিমাত
মাচানেতে মগডালে করেছিল
কুপোকাত।
সে কী আর জান্ত সাপ সে তো জ্যান্ত
গরীবের খুন খেলে, প্রাণ হবে
অন্ত।
ভোলা সে তো নাঙ্গা হয়েছিল চাঙ্গা
দাউ আর কুঠারেতে রক্তের
গঙ্গা।
গলা তারি ঋণে বোঝা হরি কেড়ে নিয়েছিল
ভিটে মাটি তার ভূমি, ফাঁদ পেতে
দিয়েছিল।
এক কোপে ধর পরে হরি তার বাপেরই
ধন পরে রয় পিছে, ছোবলেতে
সাপের ই।


আপনিও একটি লিখবার চেষ্টা করুন না। হার্দিক শুভকামনা সহ আপনাদের প্রিয় সঞ্জয় কর্মকার।