"মৃত্যুর বাণী"


(আ্ষার সুমধুর রস রং রূপে ভরা অথচ বানভাসি মানুষ জনের কাছে আষার মানে দুঃস্বপ্ন। সেকথাই কবিতায় প্রকাশ করা হয়েছে। কবিতাটি কিন্তু শেষপ্রর্যন্ত শেষ করা হয়নি যা অনেক গুলি ডট এর মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। ভালোর সাথে সাথে সব কিছুরই একটা খারাপ দিক থাকে। অনেক জীবনদায়ী ঔষধ দ্বারা জীবন বাঁচলেও তার অনেক সাইধ এফেক্ট থাকে, তেমনই যেন আষার। পৃথিবীতে জীবনের অন্যতম উপাদান জল সে নিয়ে আসে, একটু আধটু সাইড এফেক্ট তো তাই থাকতেই পারে আর সেই কারণেই কবিতাটি শেষ করা হয় নি। আর একদিন বাকি মহিমা টুকু গাইব)


আষারে শাওনে প্রনয়ো কাহনে
মুখরিত প্রাণ,
রিম ঝিম বহে শাওনো সুধা
ঘন ঘোর বর-
ষণ।


আজিকে প্রলয়ে দুঁন্দুভি বাজে
আঁকাবাঁকা গতি ধায়,
শঙ্কিত নাদ শত মানুষের
জীর্ণ কুটিরেতে
হায়!


পানিতে শাণিতে হানিতে বসত
উরগেতে নেয় টানি,
মুক্ত গগনে লয় সে যাপিত
মৃত্যুর ধরা
বাণী.......................................।


(বি/দ্রঃ আগামীকাল আউট স্টেশন থাকব পেটের টানে। হয়তো কারও লেখা পাঠ করতে পারব না বা মুক্ত বিহঙ্গ আগামীকাল প্রকাশ নাও পেতে পারে। আন্তরিক ভাবে দুঃখ প্রকাশ করে গেলাম। )


"রসে বশে"


সূর্য ডোবার সময় হলে ঘাস ফরিং ও হাসে
দিদির ডাকে দেয় না সাড়া মন্ত্রণাতেই ভাসে,
ঘাসের তলে হাঁটতে বারণ
ই ভি এমই আসল কারণ,
জীবন করণ সুধা যেথায়, পদ্ম ফুলের রসে।


হাঃ হাঃ।