(আজ অনেক ক্ষণ কারেন্ট ছিল না, বোরিং হচ্ছিলাম। অগত্যা সেই পুরানা হিসেব, বুলবুলির সাথে গল্পে মেতে ওঠা)


বুলবুলি তুই গেলিস কোথা হিতাক পানে আয় তো ত্বরা
দ্যাখ না লাইট থাকবে না আজ বুঝলি কি রে হতচ্ছাড়া।
শিস বাজিয়ে বেড়াস ঘুরে লাগাম তো তোর একটু নাই
আসবি কেনে হেই পানেতে, ভাবিস এ ঘর যাচ্ছেতাই।
না রে বুল পাল্টে গেছে আসলে কি না বুঝতে পাবি
শিস বাজালি! ব্যঙ্গ বুলি, আসলে হেথায় হোঁচট খাবি।
আমার ঘরের সামনে এখন নানান ঢঙে নানান পরী
কিচির মিচির শুনছি বসে, আয় না তুই দাবড়ে গাড়ি।
ভাবলি কি না বলছি মিছে শিস বাজালি তাই তো বে
আমার ঘরের উল্টা পানে; কচি কাঁচার স্কুল রে।
বাচ্চা গুলান ভিতর পানে বাইরে দাঁড়ায় বউ গুলান
গল্প গাথায় মগ্ন সবে, হচ্ছে না স্থান সঙ্কুলান।
বাইরে ঘরের শান বাঁধানো একটু উঁচু সব বসেছে
কি যে কয় মুন্ডু মাথা, সব কে সব যাচ্ছে হেসে।
হেঁসেল কী বা হাঁড়ির খবর জবর আমি শুনছি রে
এখন কেমন লাফাস কেনে; লোভ কি তোর হচ্ছে বে!
আমি তো ভাই বুড়ো কানাই মনটা ভাই অনেক কচি
চক্ষুগুলান বেজায় পাজি তুই এলে ভাই অনেক বাঁচি।
এই খেয়েছে! নীল পরীটা, আমার পানে চক্ষু কেনে!
ভাবছে বোধ হয় বুড়ো খোকা মগ্ন কি ভাই তারই গানে।
কলম খাতায় লিখছে নাকি প্রেমের মহল তারই গান
বুকটা ক্যামন করছে রে বুল, মনটা ক্যামন আনচান।
আয় না বুল আমার পাশে দেখতে রে ভায় নীল পরীটা
শিস বাজিয়ে প্রেমের গানে; খেতেই রে ভায় ঝ্যাটা জুতা।