“শ্বশুর বাড়ি”


আমি তো বাঁচি! গেলেই উমা
শ্বশুর বাড়ির পানে;
বাজবে না আর ঠোলক তাসা
চিল চিলানী
গানে।


ধান্দাপানির খুলবে গেড়ো
দেখবো দু চার পাইস,
কাঁদলেও গো মাটির উমা
দেবেই না তো
রাইস।


রায় বাহাদুর লক্ষ্মী ছিঁড়ি
ধরবে হাতে ঝ্যাটা,
ছাল ছাড়ানো রুখবে কে গো
এমন বুকের
পাটা।


তাই বলি মা নে না বিদেয়
বেশ তো ক'দিন হলো,
বিসর্জনের জল মেখে মা
শ্বশুর বাড়ি
চলো।


“বাড়াবাড়ি”


মা আসে সুখের দোলায়
দুঃখ ক'দিন হরণ কারী;
নাচন কোঁদন ধুপ ধুনুচির
চলতে থাকে বাড়া-
বাড়ি।


আর দিনেতে বছর ভর
চক্ষু তার কানাই থাকে;
জেলে ভাই জাল নিয়ে তার
মাছ ধরে সে নদীর
বাঁকে।


“দুখের গান”


বুলবুলি তুই
কোথায় আজি,
ফুলের ডালি
শূন্য সাজি।
তরু লতার
সেই বিতানে,
থাকিস কোথা
তাহার
বিনে!


আজকে দিনে
শহর গড়া,
অট্টালিকা
মনো হরা।
বনের সে পথ
নাই রে তরু,
চড়ে না তো
জ্যান্ত
গরু।


রাখাল ভায়া
কোথায় ছায়া,
নগর শুধুই
লাগেই মায়া।
বাতাস আজি
দূষণ অতি,
পরিবেশের
করছে
ক্ষতি।


প্রাণ বায়ুতে
পড়ছে টান
গা না বুল
দুখের
গান।


“হাঁদা”


কোজাগরী তাই কী ভোলা
যায় কী বলো দাদা;
লক্ষ্মী বিনে গরল তরল
হতেই যে হয়
হাঁদা।