দেশটি এবার এগিয়ে যাচ্ছে,একের পর এক ধাপ,
লক্ষ্য রাখতে হবে,বাঁধা যে হচ্ছে,জনসংখ্যার চাপ।


পিতা-মাতা সন্তান গড়েন অতি আদর যত্ন করে,
নিয়ন্ত্রনহীন গাড়ীর চালক জীবনটা নেয় কেড়ে।  


নিয়মাবলি ও প্রশিক্ষণ নিয়ে, ড্রাইভার হয় যারা।
নিজের শ্রম দ্বারা জনগণকে সেবা দিচ্ছে তারা।


দক্ষ ড্রাইবার সফলতার সাথে করতে পারে কাজ,
অদক্ষরা-ই প্রতিদন দুর্ঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছে আজ।


মায়ের কোল ঠিক রাখতে হলে,যেতে হবে মূলে,
ড্রাইভারদের জন্য আলাদা স্কুল,দিতে হবে খুলে।


থাকতে হবে তাদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা,
গুরুজনেরা দিবেন তাদের, মানব সেবার দীক্ষা।


বদমেজাজ ও সংকীর্ণতা থাকবেনা তাদের মাঝে,
সারাক্ষণই তারা ব্যাস্ত থাকবে নিজ কর্তব্য কাজে।


গাড়ি  চালাতে ভাববে তখন দায় দায়িত্বের কথা,
সমাজ থেকে চলে যাবে  সকল দুর্ঘটনার প্রথা।


ড্রাইভার তাদের জীবন গড়বেন উপযুক্ত করে,
উৎফুল্ল থাকবে মনটা তাদের,যাকনা যতই দূরে।
                   -------সমাপ্ত------
          
             (রচনাকাল-২৭/০৩/২০১৯ইং)