হে মমতাময়ী প্রিয়তমা মনের রাজ্যের রানী,
অমৃতের সুধা করি যেন পান,তোমার মুখের বাণী।


ধ্রুব তারার ন্যায় স্থির চাহুনিতে চেয়ে থাক মোর পানে,
হৃদয় বিনায় আশে কত সুর,রচি গান মনে মনে।


তুমি তো প্রেরণা চলার পথে,দিয়ে যাবে অবিরাম,
মোদের তরণী চলবে ধরায়,বিধি না হলে বাম।


তোমার হৃদয়ে কত যে ভালোবাসা জানতে পেরেছি আমি,
সে কথা কেউ জানবেনা কোন দিন,জানবেন অন্তর্যামী।


কত যে মায়া ভরা কপোল তোমার ডাগর দু'টি চোখ,
দূরীভূত করেছ মনের কালিমা,ঠাণ্ডা করেছ বুক।


তোমার ধৈর্য পর্বত সমতুল্য,পেয়েছ কি তপসীর বর,
ভাঙতে পারবেনা তোমার হৃদয়,কাল বৈশাখী ঝড়।


তোমায় পেয়ে আমি যে সুখী,জীবন যুদ্ধে বিজয়ী বীর,
শত বেদনায় আছ মোর পাশে,টুটিবেনা সুখের নীড়।


তুমি সুখ দিয়েছ শুধু কষ্ট পেয়ে,ওগো!বিদুষী নারী,
তোমার প্রতি ভালোবাসা মোর,আজীবন থাকবে জারি।


পূর্ব জনমে ছিলে কি বেহেস্তে? সুখ নিয়ে এসেছ কাড়ি,
কেমন মমতায় সাজালে সংসার,সাজালে মোদের বাড়ি।


আমি যে শুধু তোমাকে পেয়ে,পেয়েছি স্বর্গীয় সুখ,
পর জনমে থাকি যেন দু'জন,সাহসে বাঁধিয়া বুক।


                       ---সমাপ্ত---
  (রচনাকালঃ-২৬/০৫/১৯৯৯ রোজঃ-বুধবার)