বাংলায় ছিল যখন
স্বৈরাচারী পাকিস্তানি,
বাংলার মানুষের সম্মান
হয়েছিল হানি।
প্রতি পদে পদে হয়েছিল
বাঙালি নির্যাতিত,
প্রতিবাদ কেউ করলেই তার
প্রাণ ওরা কেড়ে নিত।
হানাদারের পদভারে
হয়ে নিমজ্জিত,
থাকতো সদা বাঙালি জাতি
ভয়ে শঙ্কিত।
ভাবতো বুঝি এই আসবে
হানাদারের দল,
লুটে নেবে সর্বস্ব
দিয়ে গায়ের বল।
অত্যাচারে জর্জরিত বাঙালি
হয়ে ছিল নিরাশ,
সবাই যেন হয়ে গেছিল
এক-একটা জিন্দা লাশ।


তখন হঠাৎ এলো মুজিব
সুনামির মতো,
এলো বুঝি কেউ বাঙালিকে
ভরসা দেয়ার মতো।
এসেই সে তার বজ্রকণ্ঠে
মুক্তির ডাক দিলো,
সে ডাকে বাঙালির জিন্দা লাশে
প্রাণ আবার ফিরে এলো।
এতদিন ধরে ভয়ে ভীত ছিল
যে বাঙালির দল,
মুজিবের নেতৃত্বে পেলো
শক্তি, সাহস ও বল।
এতকাল ধরে ঘুমিয়ে থাকা
ক্ষিপ্ত বাঘের দল,
উঠলো জেগে ভেঙে ফেলতে
পরাধীনতার শিকল।


বাঙালির এই সাহস দেখে
ভয়ে ভীত হানাদার,
তাদের ওপর গুলিবর্ষণ
করলো বার-বার।
ত্রিশ লক্ষ বীর বাঙালি
দিলো নিজ প্রাণ,
যার ফলে বাংলা পেলো
বিজয়ের সম্মান।