“স্পন্দনে রবীন্দ্রনাথ”


বৈশাখ মাস!
আকাশ কখনো মেঘমুক্ত স্নিগ্ধতায় রোদের খেলা।
মুহূর্তেই আবার আকাশের বুকে ভিড় করে একরাশ ঘুটঘুটে কালো মেঘ।
এমন এক রোদ-মেঘে আছন্ন দিনটি ছিল ২৫শে বৈশাখ!
সকল গুণে গুণান্বিত ছোট্ট একটি পুত্র মেলেছিল আঁখি;
তিনি আর কেউ নয় তিনি আমাদের বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
সুর, লিখনী, নাটক, চিত্রশিল্প নেই এমন কোন;
সাহিত্যের শাখা যেথায় ছিলনা তার ছোঁয়া।
আকাশের রূপের তারতম্য, ছোট্ট ছোট্ট প্রাণের খুশি-
ভালবাসা-বিচ্ছেদ, প্রেম-বিরহ, রাগ-অনুরাগ;
সকল অনুভূতির সুরের মূর্ছনায় রবীন্দ্রনাথ আছেন মিশে।
ঠিক যেন হৃদস্পন্দনের ন্যায়।
প্রেমের প্রস্তাব দেয় প্রেয়সীকে রবীন্দ্রনাথের গান গেয়ে;
সুর কিংবা বেসুরা গলায়!
ভালবাসার মানুষটি জীবন থেকে চলে গেলে-
রবিঠাকুরের গান শুনে আঁখি হয় অশ্রুসিক্ত;
খুঁজে ফেরা ভালবাসার মানুষটির স্মৃতি সেই সুরের মূর্ছনায়।
নিজের প্রতি রাগ হলে হৃদয়ে ভাসে সেই সুর-
“যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে”!
তাই তো যুগের পর যুগ; প্রজন্মের পর প্রজন্ম-
রবীন্দ্রনাথ থাকবেন প্রকৃতি আর হৃদয়ের স্পন্দন হিসেবে।
হে! বিশ্বকবি!
তুমি আজো অমর তোমার সৃষ্টিতে।
তোমায় জানাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা।
আমরা যারা নবীন কবি হিসেবে সাহিত্যের জগতে-
করেছি পদার্পণ তাদের বড্ড দরকার তোমার বর্ষিত আশীর্বাদ!